প্রকাশ: বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:৪২ AM আপডেট: ২৪.০৯.২০২৫ ১:১৮ এএম

সংগৃহীত ছবি
প্রতিম্যাচেই যেনো নতুন করে জমে উঠছে এশিয়া কাপ। হার মানছে যেনো সমস্ত রাশিফল। যে দল গ্রুপ পর্বে অপ্রতিরোধ্য থেকে সুপার ফোরে এসেছে তারাই দেখছে মুদ্রার উল্টো দৃশ্য। রোমাঞ্চকর ম্যাচে ২ ওভার হাতে রেখেই জিতে গেল পাকিস্তান। আর এই জয়ের মধ্যদিয়ে ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে পাকিস্তান।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে আবু ধাবিতে লক্ষ্যটা খুব বেশি ছিল না পাকিস্তানের জন্য। বাজে ব্যাটিংয়ের মাশুল দিয়েছে লঙ্কানরা।
তবে, ১৩৪ রানের টার্গেট হলেও পাকিস্তানকে চাপে রেখে লড়াই জমিয়ে তুলেছিল শ্রীলঙ্কা। সেই চাপ উতরে শেষ পর্যন্ত ১২ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করেছেন পাকিস্তানের দুই ব্যাটার হুসেইন তালাত (৩২) ও মোহাম্মদ নওয়াজ (৩৮)। তাদের ৫৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিই ম্যাচের ভাগ্য গড়েছে।
এদিন পাকিস্তানের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে আহামরি ব্যাটিং প্রদর্শনী ছিল না শ্রীলঙ্কার। আবুধাবিতে মাত্র ৮ উইকেটে ১৩৩ রানে তারা গুটিয়ে গেছে। লড়াই করার মতো এই স্কোরও সম্ভব হয়েছে কামিন্দু মেন্ডিসের একক লড়াইয়ে। ৪৪ বলে তার ৫০ রানের ইনিংসটিই শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংকে ভরাডুবি থেকে কিছুটা রক্ষা করেছে। ইনিংসে ৪ ওভারে ২৮ রানে ৩ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানি পেসার শাহীন শাহ আফ্রিদি গুঁড়িয়ে দেন শ্রীলঙ্কার টপ অর্ডার। পাওয়ার প্লেতে তিনি তুলে নেন দুই ওপেনারকেও।
এছাড়া পুরো ইনিংসেই দাপট দেখিয়েছে পাকিস্তান। ভালো ব্যাটিং ট্র্যাকে সুযোগ পেলেও বেপরোয়া খেলার মাশুল দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। প্রথম ছয় ওভারে ৫৩ রান তুললেও টপ-অর্ডারের তিন ব্যাটারই আউট হন এই সময়ে।
এদিন যেন লঙ্কানদের উপর চেপে বসে পাকিস্তানি বোলাররা। হুসেইন তালাত প্রথম ওভারেই টানা দুই বলে ফিরিয়ে দেন চারিথ আসালাঙ্কা ও দাসুন শানাকাকে। এরপর রান পাওয়া আরও কঠিন করে তোলেন আবরার আহমেদ। টানা চার ওভারে দেন মাত্র ৮ রান। ফলে ৬ থেকে ১৬ ওভারের মধ্যে আসে মাত্র ৪৪ রান। শেষ পাঁচ ওভারে যোগ হয় আরও ৩৬। অথচ ম্যাচ শুরুর আগে লক্ষ্য ছিল অন্তত ১৮০।
তাই ম্যাচ শেষে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে ক্রিকেট বোদ্ধাদের মাঝে। ইক্যুয়েশন যেনো বার বার থমকাচ্ছে এশিয়া কাপ জুড়ে।