প্রকাশ: বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১:৫৫ পিএম

সানাই মাহবুব
কেউ বলছে মেয়েটি কি প্রেগন্যান্ট? কেউবা আবার বলছে এগুলো আসলে কি, এমন স্থান চ্যুত কেন ? কেউ মন্তব্য করছেন হুজুর দেওয়ানবাগীর মত অবস্থা, কেউবা বলেছেন পটকা মাছ।
হ্যাঁ সানাই মাহবুবের কথাই বলছি।ভিডিও দেখে সবাই ট্রল করছে। মাত্র ৩/৪ বছর ব্যবধানে লাস্যময়ী মেয়েটির এমন বেহাল দশা যার পর নাই ব্যথিত সবাই।
ইউটিউবে মেয়েটির মুখে শুনেছিলাম এক ধনাঢ্য ক্ষমতাবান ব্যক্তি তার বয়ফ্রেন্ড, কদিন পরে বিয়ে হবে তাদের। সম্ভবত কোন এক মন্ত্রী। পরে সেই লোক নাকি সটকে পরেছে।
ইন্টার্ভিউতে গণমাধ্যম কর্মীরা নানা অশ্লীল যৌন সুড়সুড়ি মাখা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিত আর মেয়েটি হেসে হেসে উত্তর দিত।কেবলই ভিউ বাণিজ্য।একদিন একজনকে প্রশ্ন করতে শুনলাম ''আপনি ৩৬ কে ৪২ করেছেন কেন?'' মেয়েটি উত্তর দিল ''নিজেকে সুন্দর করতে চেয়েছি''। এটাই কি সৌন্দর্যের নমুনা ! শুনে তো থ।
পাশ্চাত্যের নারীরা যেখানে ব্রেস্ট রিডাকশন সার্জারির মাধ্যমে কেটে ছোট করে সেখানে এই মেয়েটা নাকি সিলিকন দিয়ে বিশাল করেছে।অনেকেরই জানা নেই বেশীরভাগ ক্ষেত্রে বয়স বাড়লে এই বড় আকৃতি পিঠ ব্যথার কারণ ঘটায়।
যে কোনো প্লাস্টিক সার্জারি সফল নাও হতে পারে। বিত্তের মাঝে বেড়ে উঠা সুন্দরীদের তথ্য থেকে জানি ৬ মাস অন্তর অন্তর চর্চার প্রয়োজন হয় যা সবার পক্ষে সম্ভব নাও হতে পারে। সানাইয়ের পক্ষেও ফলোআপ রাখা হয়ত সম্ভব হয়নি আর।
রূপবতী মডেলদের চারিপাশে ভ্রমরের কোনো অভাব নেই কিন্তু রূপ ফুরিয়ে গেলে কাউকে পাশে পাওয়া দায়।ধনীরা ইচ্ছে মত ব্যাবহার করবে তারপর মন ফুরালে ছুঁড়ে ফেলে দিবে। এখানে কোন ভালোবাসা বা প্রেম নেই কেবলই রূপের বেসাতী বিকিকিনির হাঠ, একজন ক্রেতা তো অপরজন বিক্রেতা।
নিঠুর এই বাজার কাউকে কখনো সুখ নির্ভরতা বা ভালোবাসা দেওয়ার দায় রাখে না।
স্বামীর বিরুদ্ধে সানাই এর অভিযোগটি বড় করুণ আর নির্দয়। স্বামী নাকি তাকে চাপ প্রয়োগে বেশ্যাবৃত্তি করিয়ে অর্থ উপার্জন করতে চায়। যদি সত্য প্রমানিত হয় সানাইয়ের সাথে আমিও ওই বেটার উপযুক্ত শাস্তি চাই।
কেননা একজন নারীকে ইচ্ছে বহির্ভূত জোর করে কারো শয্যাসঙ্গী করার চেষ্টা করাটা অন্যায়। তর্কের খাতিরে সে যদি প্রস্টিটিউটও হয়, তবুও নয়।
(লেখকের ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত)
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর