
সংগৃহীত ছবি
দীর্ঘ ৩৩ বছর পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে। যদিও ৫টায় ভোট শেষ হওয়ার কথা ছিল, কিছু হলে লম্বা লাইন এবং দুপুরে এক ঘণ্টা ভোট বন্ধ থাকার কারণে রাত ৮টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অব্যাহত থাকে। এরপর শুরু হয় গণনার প্রস্তুতি।
বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী হলে হলে ভোটের চিত্র:
আল বেরুনী হল: ২১১ ভোটারের মধ্যে ১২৫ ভোট
আ ফ ম কামাল উদ্দিন হল: ৩৪১ ভোটারের মধ্যে ২১৬ ভোট
মীর মশাররফ হোসেন হল: ৪৬৪ ভোটারের মধ্যে ৩১০ ভোট
নওয়াব ফয়জুন্নেসা হল: ২৮০ ভোটারের মধ্যে ১৩৭ ভোট
শহীদ সালাম-বরকত হল: ২৯৯ ভোটারের মধ্যে ২২৪ ভোট
মাওলানা ভাসানী হল: ৫১৪ ভোটারের মধ্যে ৩৮৪ ভোট
জাহানারা ইমাম হল: ৩৬৭ ভোটারের মধ্যে ২৪৭ ভোট
প্রীতিলতা হল: ৩৯৯ ভোটারের মধ্যে ২৪৬ ভোট
বেগম খালেদা জিয়া হল: ৪০৯ ভোটারের মধ্যে ২৪৯ ভোট
১০ নং (ছাত্র) হল: ৫৪১ ভোটারের মধ্যে ৩৮১ ভোট
শহীদ রফিক-জব্বার হল: ৬৫৬ ভোটারের মধ্যে ৪৭০ ভোট
বেগম সুফিয়া কামাল হল: ৪৫৬ ভোটারের মধ্যে ২৪৬ ভোট
১৩ নং (ছাত্রী) হল: ৫৩২ ভোটারের মধ্যে ২৭৯ ভোট
১৫ নং (ছাত্রী) হল: ৫৭১ ভোটারের মধ্যে ৩৩৮ ভোট
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল: ৩৫০ ভোটারের মধ্যে ২৬১ ভোট
রোকেয়া হল: ৯৫৫ ভোটারের মধ্যে ৬৮০ ভোট
ফজিলাতুন্নেছা হল: ৮০৩ ভোটারের মধ্যে ৪৮৯ ভোট
বীরপ্রতীক তারামন বিবি হল: ৯৮৪ ভোটারের মধ্যে ৫৯৫ ভোট
২১ নং (ছাত্র) হল: ৭৩৫ ভোটারের মধ্যে ৫৬৪ ভোট
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল: ৯৯১ ভোটারের মধ্যে ৮১০ ভোট
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল: ৯৪৭ ভোটারের মধ্যে ৭৫২ ভোট
দিনভর উত্তেজনা থাকলেও বড় কোনো সংঘর্ষ ছাড়াই ভোট শেষ হয়। তবে ভোট বর্জন, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ ছিল। বিএনপিপন্থি তিন শিক্ষক শেষদিকে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান।
ভোট ওএমআর মেশিনে গণনার কথা থাকলেও জামায়াতপন্থি একটি কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠায় হাতে গোনা হচ্ছে।
দিনভর ঝড়-বৃষ্টির কারণে কিছু হলে অন্ধকারে ভোট দিতে হয়েছে, অমোচনীয় কালি ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, একটি হলে ব্যালটে প্রার্থীদের নাম না থাকার অভিযোগও পাওয়া যায়। জাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, বাগছাস, ছাত্র ইউনিয়ন ও স্বতন্ত্রসহ মোট আটটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।