
সংগৃহীত ছবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে প্রথমবারের মতো অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন (ওএমআর) প্রযুক্তিনির্ভর ছয় পৃষ্ঠার ব্যালট ফর্ম ব্যবহার করা হবে।
আজ সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সাংবাদিকদের আলাপকালে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিটি ভোটারের জন্য একটি করে ৬ পৃষ্ঠার ওএমআর ফর্ম থাকবে। এর মধ্যে ৫ পৃষ্ঠা কেন্দ্রীয় সংসদের জন্য এবং ১ পৃষ্ঠা হল সংসদের জন্য নির্ধারিত থাকবে। প্রতিটি ফর্মে প্রার্থীর নাম, ব্যালট নম্বর, পদবি এবং ভোট দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট ঘর থাকবে।
এই নির্বাচনে আটটি কেন্দ্রে মোট ৮১০টি বুথ থাকবে। ভোটগ্রহণ শেষে প্রতিটি কেন্দ্রে স্থাপিত ১৪টি অত্যাধুনিক স্ক্যানিং মেশিনে ভোট গণনা হবে। এসব মেশিন প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ৯১ হাজার পৃষ্ঠা স্ক্যান করতে সক্ষম।
চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক জসীম উদ্দিন জানান, মাঠপর্যায়ে ফর্ম লোডিং, যাচাই এবং কারিগরি জটিলতা মিলিয়ে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টার মধ্যে ভোট গণনা সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, বিকেল চারটার মধ্যে যে কেউ লাইনে দাঁড়ালে ভোট দিতে পারবেন।
প্রত্যেক কেন্দ্রের বাইরে এলইডি স্ক্রিনে ফলাফল প্রদর্শন করা হবে। কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল সেখানেই ঘোষণা করা হবে, পাশাপাশি স্ক্রিনেও দেখা যাবে। সবশেষে সিনেট ভবন মিলনায়তনে সব কেন্দ্রের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। তবে চাইলে এর আগেই কেন্দ্রগুলোর ফলাফল যোগ করে যে কেউ মোট ফলাফল হিসাব করতে পারবেন।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটদান প্রক্রিয়া পাঁচ ধাপে সম্পন্ন হবে। ধাপগুলো হল:
১. সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে।
২. প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরি কার্ড বা পে-ইন-স্লিপ এবং অন্যান্য বর্ষের শিক্ষার্থীরা হল আইডি, বিশ্ববিদ্যালয় আইডি বা লাইব্রেরি কার্ড দেখিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করবেন।
৩. ভোটারকে আঙুলে অমোচনীয় কালি দেওয়া হবে, ভোটার তালিকায় স্বাক্ষর করতে হবে এবং ভোটার নম্বর জানাতে হবে। এরপর তাকে কেন্দ্রীয় সংসদ ও হল সংসদের ব্যালট পেপার দেওয়া হবে।
৪. গোপন কক্ষে প্রবেশ করে প্রার্থীর নামের পাশের ঘরে ক্রস চিহ্ন দিতে হবে। মোবাইল বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস কক্ষে নেওয়া যাবে না। ঘরের বাইরে ক্রস দেওয়া যাবে না।
৫. কেন্দ্রীয় সংসদ ও হল সংসদের জন্য দুটি আলাদা ব্যালট বক্সে ভাঁজ না করা ব্যালট জমা দিতে হবে।