প্রকাশ: রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৬:৫৩ পিএম

দেশের সরকারি-বেসরকারি সব প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বার্ষিক ছুটির সংখ্যা কমানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে।
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানাও উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, “ক্যালেন্ডারের ছুটি কমানোর পরিকল্পনা করছি। তবে সাপ্তাহিক ছুটি দুদিনই থাকছে। এটি চূড়ান্ত করার পর জানানো হবে।”
বর্তমানে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ছুটি মোট ৭৬ দিন এবং কলেজে ৭১ দিন। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে এই সংখ্যা কমানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। এর বাইরে বিভিন্ন কারণে হঠাৎ স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিখন ঘাটতি তৈরি হয়। সেই ঘাটতি পূরণে ছুটি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, “শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কতটা সময় ব্যয় করা যাচ্ছে, সেটি বিবেচনা করতে হবে। বর্তমানে বছরে মাত্র ১৮০ দিন স্কুল খোলা থাকে। অপ্রয়োজনীয় ছুটি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।”
তিনি আরও জানান, শিক্ষকদের শিক্ষাবহির্ভূত কাজ থেকে বিরত রাখারও পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিনই বহাল থাকবে, তবে অন্য ছুটি প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বয় করা হবে।
এর আগে গত মাসে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক যৌথ সভায় ছুটি কমানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক-১) বেগম বদরুন নাহার। এতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ