প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৩৬ পিএম

দিল্লি হাইকোর্ট সোমবার (২৫ আগস্ট) জানিয়েছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্নাতক ডিগ্রি প্রকাশ্যে আনতে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় বাধ্য নয়। বিচারপতি সচিন দত্তের একক বেঞ্চ রায়ে বলেছে, ডিগ্রি প্রকাশের প্রয়োজন নেই।
মোদির পেশ করা হলফনামা অনুযায়ী, তিনি ১৯৭৮ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। তবে বিরোধী দলগুলো এই তথ্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
২০১৬ সালে তথ্য জানার অধিকার (আরটিআই) আইনের মাধ্যমে আবেদন করা হয়েছিল, ২০১৬ সালের সেই বছর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হওয়া সব শিক্ষার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার নথি প্রকাশ্যে আনার জন্য। বিশ্ববিদ্যালয় তা প্রকাশ করতে অস্বীকার করেছিল।
মুখ্য তথ্য কমিশনার সেই বছরেরই বিশ্ববিদ্যালয়কে নথি প্রকাশের নির্দেশ দেন, যুক্তি দেন যে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা জনসমক্ষে থাকা উচিত। বিশ্ববিদ্যালয় ও কেন্দ্র এই নির্দেশের বিরুদ্ধে আদালতে যায়। কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল আদালতকে জানান, নথি প্রকাশ করলে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর গোপনীয়তা লঙ্ঘিত হবে, এবং শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চাইলে প্রকাশ করা উচিত নয়।
তথ্য অধিকার বিষয়ক ব্যক্তিরা পাল্টা যুক্তি দেন, আরটিআই আবেদনকারীর পরিচয় বা উদ্দেশ্য বিবেচনা করার বিধান নেই, এবং শিক্ষাগত ডিগ্রি সরকারি নথি হওয়ায় এটি ব্যক্তিগত বিষয় নয়।
প্রায় এক দশক ধরে চলা এই মামলার বিষয়ে দিল্লি হাইকোর্ট রায় দিয়েছে যে বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি প্রকাশের জন্য বাধ্য নয়। তবে, রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করা সম্ভব।
সূত্র: আনন্দবাজার
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ