প্রকাশ: শুক্রবার, ২২ আগস্ট, ২০২৫, ৪:৩৬ AM

মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং চীনা কোম্পানিগুলোর কাছে ৫০০টি বিমান বিক্রির বিষয়ে আলোচনা চালাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সম্ভাব্য চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বোয়িংয়ের জন্য এটি হবে এক বড় অর্জন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মান-সংকট ও বিক্রয়হীনতার কারণে প্রতিষ্ঠানটি বিপাকে পড়েছিল। খবর প্রকাশের পর প্রি-মার্কেট লেনদেনে বোয়িংয়ের শেয়ারের দাম তাৎক্ষণিকভাবে ৩.৭ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়, যদিও পরে কিছুটা কমে আসে।
সূত্র জানায়, আলোচ্য চুক্তিটি অনেকাংশে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্য সমঝোতার ওপর নির্ভরশীল। ইতোমধ্যেই চীনা কর্মকর্তারা দেশীয় এয়ারলাইন্সগুলোর কাছ থেকে বিমান কেনার চাহিদা সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছেন।
বোয়িং-চীন সম্পর্ক নতুন নয়। ২০১৭ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরে ৩০০টি বোয়িং বিমান কেনার জন্য ৩৭ বিলিয়ন ডলারের একটি বড় অর্ডার এসেছিল। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এবারকার আলোচনাও সেই কৌশলের ধারাবাহিকতা হতে পারে।
এদিকে বোয়িং ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। ২০২৫ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটি ২০১৮ সালের পর সর্বাধিক সংখ্যক বিমান সরবরাহ করেছে। তবে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ৭৩৭ ম্যাক্স বিমানের ফিউজলাজ প্যানেল বিস্ফোরণসহ মান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। এর আগে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে একই মডেলের দুটি ভয়াবহ দুর্ঘটনা কোম্পানির ভাবমূর্তিকে বড় ধাক্কা দেয়।
যদি আলোচ্য চুক্তি বাস্তবায়িত হয়, তবে এটি শুধু বোয়িং নয়, বরং বৈশ্বিক বিমান শিল্প ও মার্কিন-চীন বাণিজ্য সম্পর্কের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সূত্র: এএফপি / ব্লুমবার্গ
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ