প্রকাশ: সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫, ৮:১৯ পিএম

সংগৃহীত ছবি
কুয়েত চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সময়কালে বিভিন্ন দেশের ১৯ হাজারের বেশি প্রবাসীকে বহিষ্কার করেছে।
সংবাদমাধ্যম ‘আরব টাইমস কুয়েত’ এর প্রতিবেদনে জানানো হয়, অবৈধ বসবাস, শ্রম আইন লঙ্ঘন, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার, ভিক্ষাবৃত্তি এবং অন্যান্য অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে এসব অভিবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বছরের শুরু থেকেই দেশটির আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। এসব অভিযানে ধরা পড়া অভিবাসীদের মধ্যে পলাতক আসামি, হকার, ভিক্ষুক ও শ্রম আইন লঙ্ঘনকারী ছিলেন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক।
এছাড়া মাদক গ্রহণ, বিক্রি ও সংরক্ষণসহ সংশ্লিষ্ট অপরাধের সঙ্গে যুক্ত অনেক প্রবাসীকেও জনস্বার্থে নির্বাসন দেওয়া হয়েছে।
বহিষ্কৃতদের বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ) সংগ্রহ করে তাদের নাম স্থায়ীভাবে কালো তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, ফলে ভবিষ্যতে তারা কুয়েতে আর প্রবেশ করতে পারবেন না।
বহিষ্কারের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হয় বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের এক সপ্তাহের মধ্যেই নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, যা নির্ভর করে গন্তব্য ও ফ্লাইট প্রাপ্যতার ওপর।
প্রতিবছর রমজান মাসে কিছু প্রবাসী ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িয়ে পড়ে, যদিও কুয়েতে এটি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনত শাস্তিযোগ্য অপরাধ। গত রমজানে ভিক্ষাবৃত্তির অভিযোগে ৬০ জন বিদেশি নারী-পুরুষকে আটক করে প্রশাসন, পরে তাদেরও বহিষ্কার করা হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, ভিক্ষাবৃত্তি বা অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে।