শুক্রবার ● ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেয়া হবে না       ● নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মোংলায় বিএনপির বিক্ষোভ       ● আওয়ামী লী‌গের তিন নেতা গ্রেপ্তার      ● সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রকল্পের সমাপনী      ● সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ       ● আইনশৃঙ্খলা সভায় হট্টগোল, তর্কে জড়ালেন এমপি হান্নান      ● লাতিন আমেরিকার দুই দলকে হারাল জাপান-কোরিয়া      ● কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ৫১ কিশোর আটক      ● প্রথম ১৪ ওয়ানডেতেই ইতিহাস গড়লেন ম্যাথু ব্রিটজকে      ● ২৫ সেপ্টেম্বরের মুর্তজা কিজিলবাশের কনসার্ট স্থগিত      ● অঙ্কন-নন্দিতার দ্বৈত কণ্ঠে আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘মথুরা’      ● ফোটন সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন      
কে এই রাফাল ধ্বংসকারী পাকিস্তানি নারী পাইলট আয়েশা?
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫, ১:১২ পিএম

পাকিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষায় রচিত হলো নতুন ইতিহাস। দক্ষিণ এশিয়ার সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর প্রথম যুদ্ধপ্রস্তুত নারী পাইলট আয়েশা ফারুক একটি ভারতীয় রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে চমকে দিলেন গোটা বিশ্বকে।

এই প্রথমবারের মতো একজন নারী পাইলট আধুনিক ও ব্যয়বহুল রাফাল যুদ্ধবিমানকে আকাশে ধ্বংস করলেন। আয়েশার ছোড়া AIM-120C AMRAAM ক্ষেপণাস্ত্র মাত্র ৮.৭ সেকেন্ডে রাফালকে আঘাত করে মাটিতে নামিয়ে দেয়। পাকিস্তান এই ঘটনাকে বলছে ‘আধুনিক যুদ্ধে নারীর সর্বোচ্চ কৃতিত্ব’।

রয়টার্স জানায়, গত ৮ মে ভোর রাতে পাকিস্তানের চীনা-তৈরি জেএফ-১৭ ব্লক ৩ এবং জেএ-১০সি যুদ্ধবিমান ভারতের নিয়ন্ত্রণ রেখা (LoC) বরাবর জবাবি হামলা চালায়। এতে ভারতের অন্তত দুটি বিমান ভূপাতিত হয়। পাকিস্তান দাবি করেছে, তারা ৩টি রাফাল লক্ষ্যবস্তু করেছে এবং একটি নিশ্চিতভাবে ধ্বংস করেছে।

পাকিস্তান সেনাবাহিনী হামলার সময় ব্যবহার করেছে চীনা PL-15 এবং SD-10 ধরনের দূর পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। হামলায় অংশ নেয় পাকিস্তানের বিশেষ প্রশিক্ষিত এয়ার উইং, যারা পূর্ব থেকে প্রস্তুত ছিল পাল্টা জবাব দেওয়ার জন্য। একটি রাফাল ধ্বংসের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান সামরিক বাহিনী, যার সত্যতা এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই হয়নি। রাফাল ভারতের জন্য গর্বের এক যুদ্ধবিমান। এটি ফ্রান্সের দাসোঁ অ্যাভিয়েশন নির্মিত। প্রতিটি রাফাল যুদ্ধবিমানের দাম প্রায় ২৮৮ মিলিয়ন ডলার।রাফালে আছে মেটিওর ক্ষেপণাস্ত্র, যা ১৫০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

পাকিস্তান দাবি করছে, এই প্রথমবারের মতো আকাশযুদ্ধে একটি রাফাল ভূপাতিত হয়েছে, যা শুধু ভারতের নয়, ইউরোপীয় যুদ্ধ প্রযুক্তির জন্যও একটি বড় ধাক্কা।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সেনা সদর দফতরে এক ভাষণে বলেন, ‘তোমরা একাত্তরের বদলা নিয়েছো। ভারত যদি আবার আক্রমণ করে, তাদের সবকিছু হারাতে হবে।’

ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এখনও ঘটনার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি। তবে সীমান্তে টহল ও বিমানঘাঁটি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিব দুই দেশকে শান্ত থাকতে আহ্বান জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং সৌদি আরব কূটনৈতিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে কাজ শুরু করেছে। বিবিসি, রয়টার্স, গ্লোবাল ডিফেন্স জার্নালসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে।

চলতি বছর ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষ নতুন রূপ নিয়েছে প্রযুক্তিগত আকাশযুদ্ধে। পাকিস্তানের দাবি অনুযায়ী, প্রথমবারের মতো রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়া ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়। এই ঘটনার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।

তবে আয়েশার সেই যাত্রা মোটেও সহজ ছিলো না। তখন পাকিস্তানের রক্ষণশীল সমাজ এবং পুরুষপ্রধান পেশা হিসেবে পরিচিত বিমানবাহিনীতে নারীর প্রবেশ সহজ ছিল না। ফ্লাইট একাডেমিতে ভর্তি হওয়ার পর তাকে শুনতে হয়েছে নানা কটুকথা। অনেকেই ভাবতেন, তিনি সফল হতে পারবেন না।

কিন্তু নিজেকে প্রমাণ করতে গিয়ে আয়েশা পেছনে তাকাননি। কঠিন প্রশিক্ষণ, ১৪-১৮ ঘণ্টার পরিশ্রম, মানসিক চাপ- সব কিছু মোকাবিলা করেই হয়ে ওঠেন তিনি পাকিস্তানের সবচেয়ে দক্ষ পাইলটদের একজন।

এক সাক্ষাৎকারে আয়েশা বলেন, আমাকে নারী বলে কেউ আলাদা করে দেখেনি। এখানে সবাইকেই যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়। যুদ্ধবিমান চালানো কোনো বিলাসিতা নয়। এটা দায়িত্ব, এটা প্রতিজ্ঞা। তিনি জানান, প্রতিদিন ভোর ৪টায় দিনের শুরু হয়। ফ্লাইট, ব্রিফিং, প্রশিক্ষণ এবং বিশ্লেষণ মিলিয়ে প্রায় রাত ১২টা পর্যন্ত চলে কাজ।

জানা গেছে, বর্তমানে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে ৩১৬ জন নারী কাজ করছেন, যাদের মধ্যে ১৯ জন পাইলট। তবে ফাইটার জেট চালানোর মতো সক্ষমতা অর্জন করেছেন মাত্র ৫ জন। আর যুদ্ধক্ষেত্রে প্রস্তুত এমন একমাত্র নারী হলেন আয়েশা ফারুক। ফলে তার এই বিজয় শুধু পাকিস্তানের সামরিক শক্তির জন্য নয়, বরং নারীর ক্ষমতায়নের এক বড় নিদর্শন।

কে এই রাফাল ধ্বংসকারী পাইলট আয়েশা?
আয়েশার জন্ম পাঞ্জাবের বাহাওয়ালপুরে। মাত্র তিন বছর বয়সে বাবা হারান। পরিবারে তখন শুধুই লড়াই আর সীমাবদ্ধতা। কিন্তু সেই পরিবেশেই আয়েশাকে একজন সাহসী, আত্মবিশ্বাসী ও স্বাধীনচেতা নারী হিসেবে গড়ে তোলেন তার মা। আত্মীয়স্বজনের আপত্তি আর সামাজিক বাধা ডিঙিয়ে তিনি সিদ্ধান্ত নেন- তিনি হবেন একজন ফাইটার পাইলট।

তিনিই বিশ্বের প্রথম নারী ফাইটার পাইলট, যিনি সরাসরি রাফালের মতো একটি আধুনিক যুদ্ধবিমানকে ভূপাতিত করেছেন। এ ঘটনা নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সামরিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা, এমনকি ফরাসি গণমাধ্যমও রাফাল ধ্বংসের বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে এখনো নারীকে যুদ্ধক্ষেত্রে ভাবা হয় ‘অস্বাভাবিক’। কিন্তু আয়েশার সাফল্য দেখিয়ে দিয়েছে, সাহস, মেধা ও পরিশ্রম থাকলে নারীও হতে পারেন দেশের প্রহরী। তিনি শুধু একটি রাফাল ধ্বংস করেননি- ভেঙেছেন পুরুষতান্ত্রিক সমাজের অহংকারও।

সূত্র: রয়টার্স, বিবিসি, গ্লোবাল ডিফেন্স কর্প জার্নাল, জিও নিউজ, আল জাজিরা

স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম


আরও সংবাদ   বিষয়:  কে এই রাফাল ধ্বংসকারী পাকিস্তানি নারী পাইলট আয়েশা?  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close