প্রকাশ: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৩২ পিএম আপডেট: ০৪.১১.২০২৬ ১:৩৬ PM

গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনের সময় সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে গার্মেন্টসকর্মী মো. তৌফিক হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় নতুন বক্তব্য দিয়েছেন তাঁর বন্ধু ও সহকর্মী মো. সাব্বির হোসেন। তাঁর দাবি, বিক্ষোভকারীদের ভিডিও ধারণের কারণে নয়, একটি গার্মেন্টসের ভাড়া করা লোকজনের মারধরে তৌফিকের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে।
সাব্বিরের ভাষ্য অনুযায়ী, গত সোমবার দুপুরে খাবার খেয়ে কর্মস্থলে ফেরার পথে একটি গার্মেন্টসের সামনে দুই পক্ষের সংঘর্ষের মধ্যে পড়েন তাঁরা। ওই গার্মেন্টসের মালিকের রাখা লোকজন বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া করছিল। একপর্যায়ে সাব্বির দৌড়ে রাস্তার অন্য পাশে চলে গেলেও পেছনে তাকিয়ে তৌফিককে পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁর দাবি, ভাড়া করা লোকজনই তৌফিককে মারধর করেছে। তৌফিকের কাছে স্মার্টফোন ছিল না, ছিল একটি বাটন ফোন—তাই ভিডিও ধারণের অভিযোগও নাকচ করেন তিনি। তবে সংশ্লিষ্ট গার্মেন্টসটির নাম এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
গত মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার উত্তরার শিনশিন জাপান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তৌফিকের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার পর আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছিল। তৌফিক গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবি খাঁর ছেলে। বাবার মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে পড়াশোনা ছেড়ে গাজীপুরে গিয়ে লায়লা গার্মেন্টসে চাকরি নেন তিনি। বাংলাবাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন তৌফিক।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি