প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৩ AM

রমজান সামনে রেখে ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, মসুর ডাল ও খেজুরের আমদানি এবং ঋণপত্র (এলসি) খোলার পরিমাণ বেড়েছে। বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের (বিটিটিসি) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ছোলা আমদানি বেড়েছে প্রায় সাত গুণ। তবে আমদানি বাড়লেও বাজারে পণ্যের দাম কতটা সহনীয় থাকবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর খুচরা বাজারে ছোলা, তেল, ডাল, চিনি ও খেজুরের দাম বাড়ার খবর পাওয়া গেছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সোমবার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় উপস্থাপিত তথ্যে দেখা যায়, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ৮ লাখ ২৩ হাজার টন ভোজ্যতেল, ৬ লাখ ৮৭ হাজার টন চিনি, ৮২ হাজার টন ছোলা, ১ লাখ ২২ হাজার টন মসুর ডাল এবং ১১ হাজার টন খেজুর আমদানি হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে ছোলা আমদানি হয়েছিল ১২ হাজার টন, মসুর ডাল ৫৮ হাজার টন এবং খেজুর ৪ হাজার টন। রমজানে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা ও মূল্য স্থিতিশীল রাখতে আমদানি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সভায় খেজুরের সরবরাহ ও দাম সহনীয় রাখতে আমদানি শুল্ক কাঠামো সহজ, স্বচ্ছ ও যৌক্তিক করার বিষয়েও আলোচনা হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির প্রকৃত গুণগত মান ও আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে শুল্ক নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দেন। আমদানিকারকদের মতে, প্রকৃত মূল্যের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ শুল্কায়ন, পরিবহণ ব্যয় ও এলসি খোলার জটিলতা পণ্যের দাম বাড়াতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি