প্রকাশ: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৮ পিএম

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে লঘুচাপটি পূর্বমধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছিল। এটি আরও পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে সোমবারের মধ্যে গভীর নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে এর সম্ভাব্য গতিপথ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। তবে বাংলাদেশের দিকে আসার আশঙ্কা কম বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, লঘুচাপটি শনিবারই নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে গভীর সাগরে বিচরণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তাঁর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবর বা এরপর থেকে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে। ২৯ অক্টোবর থেকে খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
লঘুচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে এর নাম হবে ‘অর্ণব’। নামটি বাংলাদেশের দেওয়া, যার অর্থ সাগর। বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নাম নির্ধারণ করে এ অঞ্চলের ১৩টি দেশ। তালিকা অনুযায়ী, ‘অর্ণব’-এর পরবর্তী ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘মুরাসু’, যা ভারতের প্রস্তাবিত। তামিল ভাষায় ‘মুরাসু’ বলতে ঐতিহ্যবাহী ঢোল বা ডঙ্কাকে বোঝায়। তবে বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে সক্রিয় দুটি লঘুচাপের মধ্যে কোনটি আগে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে, তার ওপর নাম নির্ধারণ নির্ভর করবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি