বুধবার ● ২১ অক্টোবর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● ট্রলার ডুবির ঘটনায় গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার      ● আলোর পাঠশালা এখন কাগজে ‘গরুর খামার’      ● অন্য পেশার কেউ সাংবাদিকতা করতে পারবে না      ● নিরাপত্তার কারণে ইরানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তপথ বন্ধ করল ইরাক      ● পানিতে ডুবে যমজ দুই ভাইয়ের মৃত্যু      ● মাটি ছাড়াই ককোপিটে চারা উৎপাদন, শিক্ষক জাকিরের মাসে লাখ টাকা আয়      ● রায়পুরে প্রবাসী দম্পতিকে জিম্মি করে মারধর ও লুটের ঘটনায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার      ● জ্বালানি সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ-আলজেরিয়ার আলোচনা      ● নবীনগরে বল আনতে গিয়ে পানিতে ডুবে যমজ দুই ভাইয়ের মৃত্যু      ● ৪ ঘণ্টা ধরে রেলপথ অবরোধ, চিলাহাটি থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ      ● ১ নভেম্বর থেকে খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন-লাইসেন্স বাধ্যতামূলক      ● জ্বালানির দাম বাড়ায় উত্তর সাগরে গ্যাসক্ষেত্রের অনুমোদন যুক্তরাজ্যের      
আলোর পাঠশালা এখন কাগজে ‘গরুর খামার’
স্বদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪২ পিএম

২৬ বছর ধরে শিশুদের শিক্ষা দিয়ে আসছে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার উত্তর হারবাং জনকল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়। শ্রেণিকক্ষ, খেলার মাঠ, শিক্ষক ও ১৩৫ শিক্ষার্থী থাকলেও জমির দলিলে দাগ নম্বরের একটি টাইপিং ভুলের কারণে বিদ্যালয়টি এখন আইনি জটিলতায় পড়েছে। এর মধ্যে জমিদাতা মমতাজ বেগম আদালতে করা মামলায় দাবি করেছেন, সেখানে কোনো বিদ্যালয় নেই, রয়েছে ‘গরুর খামার’।

২০০০ সালে উত্তর হারবাং ইউনিয়নের ভিলিজার পাড়ায় প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টির জন্য স্থানীয় বাসিন্দা মমতাজ বেগম নিজের জমি থেকে ৩৩ শতক দান করেন। তবে দলিল তৈরির সময় ১৬০৭৫ দাগ নম্বরের পরিবর্তে ভুল করে ১৬০৭৪ লেখা হয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, এই ভুলের কারণে দীর্ঘ ২৬ বছরেও প্রতিষ্ঠানটি সরকারি নিবন্ধন পায়নি। দাগ নম্বর সংশোধনের জন্য বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম দেওয়ানি আদালতে মামলা করেন। এর মধ্যেই জমিদাতা মমতাজ বেগম বিদ্যালয় ও পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে চকরিয়ার ফৌজদারি আদালতে মামলা করেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহানারা বেগম বলেন, বিদ্যালয়ের নথিপত্র, সরকারি বই বিতরণের রেকর্ড, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাই প্রমাণ করে এটি একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে, পরিচালনা কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের অভিযোগ, জমির রেকর্ড সংশোধনের মামলা করার পর বিদ্যালয়কে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে পাল্টা মামলা করা হয়েছে। তবে মমতাজ বেগম দাবি করেন, তাঁর জমিতে বিদ্যালয় করার অনুমতি দেওয়া হয়নি এবং সেখানে গরুর খামার রয়েছে।

এলাকাবাসী বিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান ও শিশুদের শিক্ষার পরিবেশ রক্ষার দাবি জানিয়েছেন। উত্তর হারবাং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস ভুট্টো বলেন, ২০০০ সাল থেকেই সেখানে শিশুদের পড়াশোনা করতে দেখছেন তাঁরা। চকরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর জানান, বিদ্যালয়টিতে প্রতি বছর সরকারি বই দেওয়া হয়। তবে জমির দাগ নম্বর নিয়ে বিরোধ আদালতের আওতাধীন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।






স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি



আরও সংবাদ   বিষয়:  কক্সবাজার   চকরিয়া   উত্তর হারবাং   জনকল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়   জমির দলিল   দাগ নম্বর   বিদ্যালয়ের নিবন্ধন   জমি বিরোধ   শিক্ষা   বাংলাদেশ সংবাদ  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close