প্রকাশ: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১০ পিএম

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে দেশের নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও খাদ্যপণ্যের জন্য নিবন্ধন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। আগামী ১ নভেম্বর থেকে ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’ কার্যকর হবে। গত ১৬ জুলাই প্রবিধানমালাটি সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান, ক্যাটারিং সেবা, প্যাকেটজাত খাবার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, দুগ্ধপণ্য প্রস্তুতকারী, আমদানিকারক, খাদ্য সংরক্ষণাগার এবং রাস্তার পাশে পিঠা-পুরি বিক্রেতাসহ নির্ধারিত ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার জন্য নিবন্ধন নিতে হবে। অন্যদিকে বিশেষায়িত ও নির্দিষ্ট পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাদ্যপণ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুত, আমদানি ও বিপণনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
প্রবিধান অনুযায়ী, নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর। প্রচলিত ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার প্রথমবার নিবন্ধন বিনামূল্যে করা যাবে। বিশেষ খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের প্রিমিসেস লাইসেন্স ফি স্থাপনার আয়তন অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে। ১০০ বর্গমিটার বা তার কম আয়তনের প্রতিষ্ঠানের জন্য ফি ১০ হাজার টাকা এবং ১০ হাজার বর্গমিটারের বেশি আয়তনের প্রতিষ্ঠানের জন্য ৬০ হাজার টাকা। খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে বিএফএসএ নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করতে হবে।
প্রাথমিকভাবে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের জেলা কার্যালয়ে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আবেদন করা যাবে। পর্যায়ক্রমে শতভাগ অনলাইন আবেদন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের। নির্ধারিত নিবন্ধন বা লাইসেন্স ছাড়া খাদ্য ব্যবসা পরিচালনা করলে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী তা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণের প্রস্তুতি নিতে অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি