প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪১ পিএম

চলমান সামরিক অভিযানে ১০০ হুথি যোদ্ধা নিহত ও পাঁচটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযানের আওতায় দক্ষিণ তাইজের জাবাল আল-মানজারা, আল-আশারিফ ও ধিবান এলাকা পুনরায় নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে সরকারি বাহিনী।
তাইজ মিলিটারি এক্সিসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, শহরের উত্তরে আল-আরবায়েন, দক্ষিণে আল-আকরূদ, পশ্চিমে আল-আনিন ও জাবাল হাবাশি এবং আল-কাদহা ফ্রন্টের উপকণ্ঠে আল-বিরিন এলাকায় একাধিক অভিযান চালানো হয়েছে।
সেনাবাহিনীর দাবি, এসব অভিযানে প্রায় ১০০ হুথি যোদ্ধা নিহত ও ১৫০ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া পাঁচটি ড্রোন ভূপাতিত এবং ছয়টি সামরিক যান ও একটি ট্যাংক ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এর আগে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রাশাদ আল-আলিমি ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্বহাল, রাজধানী সানা পুনরুদ্ধার এবং হুথিদের নিয়ন্ত্রণের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যেই এ অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।
সরকারি বাহিনী লোহিত সাগরের উপকূলীয় শহর মোখা ও কৌশলগত বাব এল-মান্দেব এলাকা পুনরায় নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবিও করেছে।
তবে সরকারি বাহিনীর এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি। তিনি দাবি করেন, তাদের অবস্থান অক্ষুণ্ণ রয়েছে। পাশাপাশি আল-জাউফ, মারিব, রাস আল-আরা ও আল-সুকিয়া এলাকায় হামলায় বিরোধী বাহিনীর দুই শতাধিক সদস্য হতাহত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। তবে এ বিষয়ে সৌদি জোট কোনো মন্তব্য করেনি।
২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানা দখল করার পর ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। ২০১৫ সালে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে। ২০২২ সালের এপ্রিলে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হলেও পরবর্তী সময়ে সংঘর্ষ আবার শুরু হয় এবং সেপ্টেম্বর থেকে লড়াই আরও তীব্র হয়েছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ