প্রকাশ: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৬ পিএম

জাতীয় সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (এনসিসিআইএ) তদন্তে পাকিস্তানের ক্রিকেটার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ইমাম-উল-হকের মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে তদন্তে দুই ক্রিকেটারের সহযোগিতার ক্ষেত্রে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন সূত্র। ইমাম-উল-হক তদন্তে সহযোগিতা করলেও রিজওয়ানের ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা এখনো সম্পন্ন হয়নি বলে জানা গেছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রিজওয়ান ও ইমাম-উল-হককে নিয়ে নতুন তথ্য সামনে আসে। পাকিস্তানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্ত প্রক্রিয়ায় দুই ক্রিকেটারের মোবাইল ফোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। এনসিসিআইএ ইমামের ফোনের ফরেনসিক বিশ্লেষণ শুরু করেছে এবং তিনি এতে সহযোগিতা করছেন বলে সূত্রের দাবি।
অন্যদিকে, রিজওয়ানের মোবাইল ফোনের বিস্তারিত ফরেনসিক পরীক্ষা এখনো করা সম্ভব হয়নি। এনসিসিআইএ সূত্রের বরাত দিয়ে পাকিস্তানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তাকে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি এখনো পুরোপুরি সহযোগিতা করেননি। এ কারণে তদন্তের অগ্রগতিতে বিলম্ব হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এর আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের মাঝপথে রিজওয়ান ও ইমাম-উল-হকসহ সাত ক্রিকেটারকে পাকিস্তানে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। প্রথম দুই টেস্টে পাকিস্তানের বড় ব্যবধানে হারের পর এই সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। একই সময়ে দলীয় শৃঙ্খলা ও আচরণ নিয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্তের কথাও জানিয়েছিল পিসিবি।
পরবর্তীতে রিজওয়ান ও ইমামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ও তদন্তের বিষয়টি সামনে আসে। এনসিসিআইএ তাদের মোবাইল ফোনের তথ্য, যোগাযোগ এবং আর্থিক লেনদেনসহ বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করছে বলে আগের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে তদন্তে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।
রিজওয়ান এর আগে এনসিসিআইএর তদন্ত ও নোটিশ নিয়ে লাহোর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। আদালত তাকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয় এবং সংস্থাকে আইন অনুযায়ী তদন্ত পরিচালনার কথা জানায়।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এনসিসিআইএ রিজওয়ানের সঙ্গে আবারও যোগাযোগ করতে পারে এবং প্রয়োজন হলে তাকে নতুন করে নোটিশ দেওয়া হতে পারে। বিস্তারিত ফরেনসিক বিশ্লেষণের জন্য রিজওয়ানের ব্যক্তিগত উপস্থিতি প্রয়োজন বলেও সূত্র জানিয়েছে।
তদন্ত শেষ হওয়ার পর এনসিসিআইএর প্রতিবেদন বিবেচনা করে রিজওয়ান ও ইমাম-উল-হকের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে পিসিবি বলে জানা গেছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ