রবিবার ● ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
সালিশে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ
প্রতিনিধি, গুরুদাসপুর (নাটোর)
প্রকাশ: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৭ পিএম

নাটোরের গুরুদাসপুরে হাতাহাতির ঘটনা মীমাংসার জন্য বৈঠকে ডেকে নিয়ে দুইজনকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে মাংস ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত সাইফুল (৫০) উপজেলার বেড়গঙ্গারামপুর গ্রামের আজিত আলীর ছেলে।

আহতরা হলেন—একই এলাকার জলিল শেখের ছেলে জহুরুল শেখ (৩৩) ও শামসের আলীর ছেলে মাজেম আলী (৩৮)। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন একই এলাকার ভুক্তভোগী রুবেল আলী।

রোববার দুপুরে (২৭ সেপ্টেম্বর) বেড়গঙ্গারামপুর তিন রাস্তার মোড়ে দোষীদের বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেন গ্রামবাসী। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন আবু রায়হান, আয়জার প্রামাণিক, রুবেল শেখ, আব্দুল কুদ্দুস, সমেজ আলী ও রাশিদা বেগম।

বক্তারা বলেন, ‘কসাই সাইফুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। সালিশ ডেকে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে কুপিয়ে জখম করার ঘটনা ঘটায়।’

অভিযোগে জানা যায়, গত শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় মাংস ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামের কর্মচারী আব্দুল খালেক টাকা নিয়ে কাজে না যাওয়াকে কেন্দ্র করে সমেজ আলীর দোকানের সামনে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও গালমন্দের ঘটনা চলছিল। এ সময় স্থানীয় জলিল শেখ গালমন্দ করতে নিষেধ করায় তাকেও গালাগালি দেওয়া শুরু করে সাইফুল। জলিলের ছেলে জহুরুল এগিয়ে এলে সাইফুল ও জহুরুলের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বিষয়টি মীমাংসার জন্য পরদিন শনিবার রাত ৮টার দিকে স্থানীয় প্রধান আব্দুল কুদ্দুস, আবু রায়হান ও আয়জার আলীর মধ্যস্থতায় সালিশ বৈঠক ডাকা হয়।

সালিশ চলমান অবস্থায় সাইফুল ও তার সহযোগীরা পুনরায় বিবাদে জড়িয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায় বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ। এ সময় জহুরুল শেখ ও মাজেম আলীকে কুপিয়ে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সমেজ আলীর দোকানের মালামাল লুটপাটসহ ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সালিশ প্রধান আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘হাতাহাতির ঘটনায় মীমাংসার জন্য উভয়পক্ষকে সালিশে ডাকা হয়েছিল। কিন্তু সিদ্ধান্ত হওয়ার আগেই সাইফুল তা অমান্য করে আক্রমণ চালায়। তারা আমাকে ও মারধর করেছে।’

অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘কাজের মজুরি নিয়ে আমার আর খালেকের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় গায়ে পড়ে আমাদের ওপর চড়াও হয় এবং মারধর করে জলিল, জহুরুল ও তার লোকজন।’

গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল হান্নান বলেন, ‘অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’






স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close