বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজার ধরতে চীনের নতুন জলপথ পিংলু      হিসাবের স্বচ্ছতা বাড়ায় খেলাপি ঋণের প্রকৃত চিত্র সামনে      মেধাবীদের এগিয়ে যেতে ভিসার প্রয়োজন হয় না: শিক্ষামন্ত্রী      মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাথে সচিবালয়ে বৈঠক: দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও অপতথ্য রোধে গুরুত্ব      ই-ফুটবল ইকোসিস্টেম শক্তিশালী করতে ৭৫ ক্লাবের উদ্যোগ      আগামী বছর ঢাকা-নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইট চালুর লক্ষ্য: বিমানমন্ত্রী      সৌদি আরবের পবিত্র ভূমির নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশের সংহতি প্রকাশ      আনিসুল হকের বিরুদ্ধে ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের চার্জশিট      ২০৪০ সালের মধ্যে স্বাভাবিক হতে পারে পৃথিবীর ওজোনস্তর      ভারতের বিপক্ষে আফগানিস্তানের টানা ১০ম হার      রুয়েটের শিক্ষা-গবেষণার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিতে গুরুত্ব রাষ্ট্রপতির      নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত      
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজার ধরতে চীনের নতুন জলপথ পিংলু
স্বদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৮ পিএম আপডেট: ১৬.০৯.২০২৬ ৬:২৬ PM

দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের অভ্যন্তরীণ অঞ্চলকে সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে আরও দ্রুত যুক্ত করতে চালু হচ্ছে দেশটির আধুনিক নদী-সমুদ্র সংযোগকারী প্রথম খাল—পিংলু খাল। ১৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই জলপথ বুধবার নৌযান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে। চীনের দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতি এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে নতুন এই জলপথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

পিংলু খাল পুরোপুরি চীনের দক্ষিণাঞ্চলের গুয়াংসি অঞ্চলে অবস্থিত। ভিয়েতনাম সীমান্তের কাছাকাছি এই অঞ্চল দক্ষিণ চীন সাগরের দিকে বিস্তৃত। খালটি পশ্চিম নদী বা শিজিয়াং নদীকে বেইবু উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বেইবু উপসাগর টনকিন উপসাগরের উত্তর-পশ্চিম অংশে অবস্থিত।

খালটি চালু হলে সমুদ্র থেকে দূরের ইউনান ও গুইঝৌসহ দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের বিভিন্ন প্রদেশের পণ্য কম দূরত্বে সমুদ্রবন্দরে পৌঁছাতে পারবে। এরপর সেগুলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বাজারে পাঠানো সম্ভব হবে।

কমবে দূরত্ব ও পরিবহন ব্যয়

পিংলু খালের অন্যতম প্রধান সুবিধা হবে পণ্য পরিবহনের দূরত্ব ও ব্যয় কমে যাওয়া। গুয়াংসি কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের অভ্যন্তরীণ অঞ্চল থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে পণ্য পাঠানোর দূরত্ব প্রায় ৫৬০ কিলোমিটার কমতে পারে।

একই সঙ্গে লজিস্টিকস ব্যয় ১৮ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমার সম্ভাবনা রয়েছে। গুয়াংসি সরকারের উপমহাসচিব ঝাং ঝিওয়েনের হিসাবে, শুধু পরিবহন ব্যয় কমার কারণে বছরে ৫০০ কোটি ইউয়ানের বেশি সাশ্রয় হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৯১ হাজার কোটি টাকা।

গুয়াংসির ভাইস চেয়ারওম্যান লু সিনিং এই সুবিধাকে দৃশ্যমান অর্থনৈতিক লাভ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, পরিবহন ব্যয় কমলে ব্যবসা পরিচালনার খরচ কমবে এবং অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উভয় ধরনের বাণিজ্য বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে।

পিংলু খালে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টন ধারণক্ষমতার জাহাজ চলাচল করতে পারবে। প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয় প্রায় ৭২৭০ কোটি ইউয়ান বা ১০ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বৃহত্তর বাণিজ্য করিডরের অংশ

চীন পিংলু খালকে শুধু একটি স্থানীয় জলপথ হিসেবে দেখছে না। এটি দেশটির নিউ ইন্টারন্যাশনাল ল্যান্ড-সি ট্রেড করিডর বা নতুন আন্তর্জাতিক স্থল-সমুদ্র বাণিজ্য করিডরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

এই করিডরের মাধ্যমে চীনের পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শহর ও শিল্পাঞ্চলকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে চংকিং, সিচুয়ানের চেংদু, গুইঝৌ ও ইউনানের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল যুক্ত রয়েছে।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের সঙ্গেও এই স্থল-সমুদ্র বাণিজ্য করিডরের সম্পর্ক রয়েছে। সড়ক, রেলপথ ও বন্দরসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর মাধ্যমে চীনকে এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেও পিংলু খালকে দেখা হচ্ছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে বাড়ছে বাণিজ্য

নতুন এই জলপথ চালুর সময়েই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে চীনের বাণিজ্য দ্রুত বাড়ছে। চীনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে চীন ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৪ দশমিক ৩৪ ট্রিলিয়ন ইউয়ানে পৌঁছেছে, যা প্রায় ৬৪০ বিলিয়ন ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এই বাণিজ্য ১৮ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে।

এই পরিস্থিতিতে পিংলু খাল চালু হলে চীনের অভ্যন্তরীণ অঞ্চল থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে পণ্য পাঠানোর সময় ও খরচ কমতে পারে।

খালের দক্ষিণ প্রান্তে থাকা বেইবু গালফ বন্দরের সক্ষমতাও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেড়েছে। ২০১৭ সালে বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা ছিল ২২ লাখ ৮০ হাজার টিইইউ। ২০২৫ সালে তা বেড়ে ১ কোটি ৬ লাখ টিইইউ হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলোর সঙ্গেও বন্দরটির সমুদ্রপথ নেটওয়ার্ক যুক্ত হয়েছে।

খাল ঘিরে শিল্পাঞ্চলের পরিকল্পনা

পিংলু খালকে কেন্দ্র করে ‘পিংলু ক্যানাল ইকোনমিক বেল্ট’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছে গুয়াংসি। খালের আশপাশে নতুন শিল্প স্থাপন, বন্দর ও পরিবহন অবকাঠামোর সঙ্গে উৎপাদনকেন্দ্রের সংযোগ এবং সরবরাহব্যবস্থা আরও কার্যকর করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

প্রস্তাবিত শিল্পের মধ্যে রয়েছে অলৌহঘটিত ধাতু ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, পরিবেশবান্ধব রাসায়নিক শিল্প, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং তথ্যপ্রযুক্তি। বন্দরসংলগ্ন শিল্পাঞ্চল গড়ে উঠলে উৎপাদনকেন্দ্র থেকে পণ্য বন্দরে নেওয়ার দূরত্ব কমবে। এতে উৎপাদন, পরিবহন ও রপ্তানি—তিন ক্ষেত্রেই সময় ও ব্যয় কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।

ইতোমধ্যে এই উদ্যোগ ঘিরে বাণিজ্যিক তৎপরতার কিছু নমুনাও দেখা গেছে। দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের শিল্প ও পরিবহনকেন্দ্র চংকিং থেকে সোডিয়াম বিসালফেটবোঝাই একটি ট্রেন গুয়াংসির রাজধানী নানিংয়ের বন্দরে পৌঁছেছে। খাল চালুর পর দক্ষিণ ভিয়েতনামের ক্যান থো বন্দরের সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্যিক নৌযান চলাচলের পরিকল্পনাও রয়েছে।

প্রথমে বিনা মাশুলে চলবে জাহাজ

পিংলু খাল ব্যবহারের জন্য ধাপে ধাপে মাশুল নির্ধারণ করেছে গুয়াংসি কর্তৃপক্ষ। ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাণিজ্যিক জাহাজগুলো খালের তিনটি জলকপাট বিনা মাশুলে পার হতে পারবে।

এরপর ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পরীক্ষামূলকভাবে জাহাজের ধারণক্ষমতার প্রতি টনের জন্য প্রতিবার ১ ইউয়ান করে মাশুল নেওয়া হবে। এই হার ২০৩১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকার কথা।

খালটির আরেকটি সুবিধা হলো নদীপথের জাহাজগুলো কুইনঝৌ সমুদ্রবন্দরের জেটিতে সরাসরি পৌঁছাতে পারবে। ফলে মাঝপথে এক জাহাজ থেকে অন্য জাহাজে পণ্য স্থানান্তরের প্রয়োজন হবে না এবং নদী থেকে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহন আরও সহজ হবে।

প্রকল্পের সঙ্গে বড় পুনর্বাসন

তবে বিশাল এই অবকাঠামো প্রকল্পের সঙ্গে বড় ধরনের মানবিক ও সামাজিক পরিবর্তনও জড়িয়ে রয়েছে। খাল নির্মাণের জন্য হাজার হাজার পরিবারকে বসতভিটা ও জমি ছেড়ে অন্যত্র যেতে হয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গুয়াংসির চারটি কাউন্টি ও কাউন্টি-সমপর্যায়ের শহর মিলিয়ে ২ হাজার ৭৬৪টি পরিবারের ১১ হাজার ২২৮ জনকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।

হেংঝৌ এলাকায় ৩৬৮টি পরিবারের বাড়ি সরিয়ে নেওয়ার চুক্তি হয়। প্রায় ৮৪ হাজার ২০০ বর্গমিটার এলাকা থেকে স্থাপনা সরিয়ে ফেলা হয় এবং ১ হাজার ২২১ জনকে সাময়িকভাবে পুনর্বাসন করা হয়।

পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে শুধু আর্থিক ক্ষতিপূরণ নয়, স্থানীয় মানুষের জীবনযাপন ও সংস্কৃতির বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এ জন্য ২১ ধরনের বাড়ির নকশা তৈরি করা হয়। এসব নকশায় বসার ঘরের দিক, ফসল শুকানোর স্থান, হাঁস-মুরগি পালনের জায়গা এবং কৃষি রাসায়নিক রাখার কক্ষের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

পুনর্বাসন প্রকল্পের সবচেয়ে বড় শহর শাপিংয়ে বাসিন্দাদের চারতলা বাড়ি দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বাড়ির আয়তন প্রায় ৪২০ বর্গমিটার। কিছু বাড়ির নিচতলায় রাস্তার পাশে বাণিজ্যিক দোকানের ব্যবস্থাও রয়েছে।

তবে নতুন সুবিধা পাওয়ার পরও অনেক বাসিন্দার পুরোনো গ্রাম ও বসতভিটা হারানোর অভিজ্ঞতা রয়ে গেছে। কিছু পরিবার নিজেদের নতুন বাড়িতে শত শত বছরের পুরোনো গাছও নিয়ে গেছে। এর মধ্যে একটি কর্পূরগাছের বয়স ২১৭ বছর বলে জানা গেছে।

বাণিজ্যিক নিরাপত্তার নতুন সংযোগ

পিংলু খালের গুরুত্ব শুধু পরিবহন ব্যয় কমানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে বিকল্প সরবরাহপথ তৈরি এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় ঝুঁকি কমানোর বিষয়টিও যুক্ত।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিভিন্ন প্রণালি ও সমুদ্রপথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে এসব পথ সংকটের সময় সরবরাহব্যবস্থার ওপর বড় চাপ তৈরি করতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও আন্তর্জাতিকভাবে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এ কারণে বিভিন্ন দেশ পাইপলাইন, মজুত ব্যবস্থা, রেল ও সড়ক যোগাযোগ এবং বিকল্প বাণিজ্য করিডর তৈরির দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। লক্ষ্য হলো গুরুত্বপূর্ণ একটি বা দুটি পরিবহনপথের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানো।

এই বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে পিংলু খাল দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের শিল্প ও উৎপাদনকেন্দ্রগুলোকে সমুদ্রের সঙ্গে আরও সংক্ষিপ্ত পথে যুক্ত করবে। পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে পণ্য পৌঁছানোর একটি নতুন ও তুলনামূলক দ্রুত পথ তৈরি করবে।

ফলে পিংলু খালকে শুধু একটি নতুন জলপথ হিসেবে নয়, চীনের অভ্যন্তরীণ অঞ্চল, শিল্প, বন্দর, সরবরাহব্যবস্থা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারকে একই বাণিজ্যিক নেটওয়ার্কে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করার একটি বড় অবকাঠামোগত উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।




স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ


আরও সংবাদ   বিষয়:  পিংলু খাল চীন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close