প্রকাশ: শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:০১ AM

সংগৃহীত ছবি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী খুব শিগগিরই গাজার দিকে মোতায়েন করা হবে। তিনি বলেন, এ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে এবং গাজায় পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছে। গত শুক্রবার (৭ নভেম্বর) আনাদোলু সংবাদ এ তথ্য প্রকাশ করে।
ট্রাম্প বলেন, গাজায় শান্তি বজায় রাখার প্রচেষ্টা ভালোভাবে কাজ করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক দেশ ও মিত্রদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করছে। তিনি বর্তমান যুদ্ধবিরতির কার্যকারিতা প্রশংসা করেছেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, কাজাখস্তান ইসরায়েল ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কিছু দেশের মধ্যে আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দিতে যাচ্ছে এবং আশা প্রকাশ করেন অন্য মধ্য এশীয় দেশগুলোও এতে যুক্ত হয়ে শান্তিপ্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেবে।
ট্রাম্প সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের সম্ভাব্য ওয়াশিংটন সফর ও সিরিয়া বিষয়ে অগ্রগতির কথাও উল্লেখ করেন এবং জানান যে কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত এসেছে তুরস্ক, ইসরায়েলসহ কিছু দেশের অনুরোধ বিবেচনায় রেখে।
আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীর মূল লক্ষ্য হবে গাজার বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সীমান্ত অঞ্চল রক্ষায় কাজ করা এবং ফিলিস্তিনি পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেওয়া। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে এ বিষয়ে আলোচনা শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে; সেখানে দুই বছরের জন্য একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসন ও প্রায় ২০ হাজার সেনার একটি স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছে। রয়টার্স জানায়, প্রস্তাবনার খসড়া মিশর, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও তুরস্কের মতো আঞ্চলিক অংশীদারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
প্রস্তাবিত বাহিনীর সদস্যরা প্রয়োজনে বলপ্রয়োগসহ সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে। তবে এই পরিকল্পনার একটি শর্ত হলো হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ করা; এই বিষয়ে হামাস এখনও কোনো নিশ্চিত মন্তব্য করেনি। আন্তর্জাতিক বাহিনীকে হামাসের সামরিক সক্ষমতা ও আক্রমণাত্মক অবকাঠামো ধ্বংস করার দায়িত্বও দেওয়া হতে পারে।