প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫, ১২:৩৫ AM

বিএনপির সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশে সফররত কমনওয়েলথ প্রতিনিধি দল। কমনওয়েলথ ‘ইলেকটোরাল সাপোর্ট’ শাখার উপদেষ্টা ও প্রি-ইলেকশন অ্যাসেসমেন্ট এর প্রধান লিনফোর্ড অ্যান্ড্রুজের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল এ বৈঠকে অংশগ্রহন করে।
সোমবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর বনানীতে হোটেল সেরিনায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বিএনপির পক্ষ স্থায়ী কমিটি সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপার্সন উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার, যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির, বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল হক এ বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, কেয়ারটেকার সরকারের আদলে সরকার পরিচালিত না হলে বিভিন্ন দল থেকে যে আস্থার সংকটের কথা বলা হচ্ছে তা আরো খারাপের দিকে যেতে পারে। এজন্যআগামী নির্বাচন পর্যন্ত কেয়ারটেকার সরকারের আদলে দেশ পরিচালনা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বলেন, মূলত আমরা কিভাবে নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যেতে পারি, ডেমোক্রেটিক অর্ডারে ফিরে যাওয়ার যে প্রক্রিয়াটা তার মূলত কমনওয়েলথ সদস্যরা তাদের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এখানে এই প্রক্রিয়াটা কি হবে এবং কত নিরপেক্ষভাবে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি সেই প্রেক্ষাপটে অনেক আলোচনা হয়েছে। কমনওয়েলথের পক্ষ থেকে নির্বাচনের পর্যবেক্ষক পাঠাবে বল জানিয়েছে।
আমির খসরু বলেন, আমরা তত্ত্বাবধয়ক সরকারের কথা বলি নাই। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আদলের কথা বলা হচ্ছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার কি জন্য হয়েছিল এটা তো বুঝতে হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার হয়েছিল বিশ্বাসে আস্থার সংকট ছিল বলে। আজকে অনেকগুলো দল, শুধু বিএনপি তো না, সরকারের অভ্যন্তরে কিছু কার্যক্রম, কিছু ব্যক্তির ব্যাপারে আস্থা সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এটা বিএনপি একা বলেনি। বিভিন্ন দল থেকে বলা হয়েছে। যেখানে আস্থার সংকট হবে সেখানে নির্বাচন তো প্রশ্নবিদ্ধ হবে। এই কারণে বলা হচ্ছে তত্ত্বাবধয়ক সরকারের আদলে সরকার। তত্ত্বাবধয়ক সরকারে বলা আছে কিভাবে নির্বাচনটা সম্পন্ন করবে। অর্থাৎ প্রতিদিনের কাজগুলো তারা কিভাবে করবে। এখানে বিশ্বাসযোগ্যতা, স্বচ্ছতার প্রশ্নগুলো উঠে আসছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/রাফি