প্রকাশ: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ২:৩১ AM

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে মূল্য সংযোজিত পণ্য রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। শীর্ষ স্থানে রয়েছে কম্বোডিয়া, আর তৃতীয় স্থানে আছে ভিয়েতনাম। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আইএমএফের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে মূল্য সংযোজিত পণ্য রপ্তানিতে কম্বোডিয়ার প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২১ শতাংশ, বাংলাদেশের ২০ শতাংশ, এবং ভিয়েতনামের ১০ শতাংশ। বিপরীতে জাপান, মালয়েশিয়া, কোরিয়া, ফিলিপাইন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও তাইওয়ানের মতো দেশগুলো এ খাতে প্রবৃদ্ধিতে পিছিয়ে পড়েছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৪.৯ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
আইএমএফ বলেছে, এশিয়ার দেশগুলোর রপ্তানি আয় মূলত ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারের ওপর নির্ভরশীল। এসব দেশ থেকে রপ্তানির মাধ্যমে যেমন বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়, তেমনি রেমিট্যান্সও বৈদেশিক মুদ্রার ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই রপ্তানি বাজারে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করে এবং সেখানে মূল্য সংযোজন বাড়াতে নীতি সহায়তা প্রদান করে। শ্রমবাজারের উন্নয়ন, কর্মীদের জীবনমান বৃদ্ধি এবং পণ্যের মানোন্নয়ন—এসব কারণে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্য সংযোজিত পণ্যের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। এ সুযোগ সবচেয়ে সফলভাবে কাজে লাগিয়েছে কম্বোডিয়া।
আইএমএফের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বাংলাদেশ মূল্য সংযোজিত রপ্তানি পণ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানি করে। এছাড়া চামড়াজাত পণ্য ও হস্তশিল্প খাতেও প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। এসব খাতে স্থানীয় উপকরণের ব্যবহার এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় আধুনিকায়নের কারণে বাংলাদেশের মূল্য সংযোজনের হার বাড়ছে, ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে দেশের রপ্তানি আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ