প্রকাশ: শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৫, ১২:৫০ AM

অন্তত সাতটি যুদ্ধ থামানোর দাবি করেছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বহুবার নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু নোবেল কমিটি তাঁর সেই দাবি গ্রহণ করেনি। পরিবর্তে এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়েছে ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদোর হাতে।
তবে ট্রাম্প উপেক্ষিত হলেও, মারিয়া মাচাদো নিজের প্রথম প্রতিক্রিয়াতেই তাঁর নাম উচ্চারণ করলেন। পুরস্কার পাওয়ার পর তিনি ঘোষণা দেন—এই নোবেল শান্তি পুরস্কার তিনি উৎসর্গ করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। কারণ হিসেবে মারিয়া বলেন, “স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের সংগ্রামে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ছিলেন আমাদের অন্যতম প্রধান সহযোগী। তাঁর নেতৃত্ব, সমর্থন ও সাহসী অবস্থান আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে।”
মারিয়া আরও বলেন, “এই স্বীকৃতি শুধু আমার নয়, এটি ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতার জন্য লড়াইরত জনগণের। তাদের সাহস, ত্যাগ ও স্বপ্নের প্রতীক এই নোবেল পুরস্কার। আমি এটি ট্রাম্প এবং ভেনেজুয়েলার মানুষের প্রতি উৎসর্গ করছি।”
চলতি বছর নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য জমা পড়েছিল ৩৩৮টি মনোনয়ন, যার মধ্যে ৯৪টি ছিল সংগঠনের নাম। সেই তালিকায় ডোনাল্ড ট্রাম্পও ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত নোবেল কমিটি বেছে নেয় ভেনেজুয়েলার বিরোধী শিবিরের ঐক্য গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে।
নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান জর্জেন ওয়াটনে ফ্রাইডনেস জানান, “ভেনেজুয়েলার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংকটের সময় বিরোধী দলগুলোর মধ্যে ঐক্য ফিরিয়ে এনে অবাধ নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক শাসনের দাবিতে দৃঢ় নেতৃত্ব দিয়েছেন মারিয়া মাচাদো। তাঁর সাহসিকতা ও নেতৃত্বগুণই তাঁকে এই বছরের শান্তি পুরস্কারের জন্য যোগ্য করে তুলেছে।”
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ