প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:২৮ পিএম আপডেট: ২৩.০৯.২০২৫ ১০:১৮ PM

টাঙ্গাইল স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) রোলার মেশিন ভাড়া খাটিয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের সব জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করেছে। এই ধারাবাহিক সাফল্যের ফলে টাঙ্গাইল এলজিইডি গত চার বছর ধরে দেশের শীর্ষে অবস্থান নিশ্চিত করেছে। এ বছর ল্যাবরেটরী টেস্ট খাতেও এলজিইডি নতুন রেকর্ড গড়েছে।
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তাদের অধীনে ১৯টি উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাক্কলিত মূল্যের বিপরীতে মোট ব্যয় দুই হাজার ৬৭৮ কোটি ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এর মধ্যে উন্নয়ন প্রকল্পের ৮২ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রকল্পের মধ্যে সড়ক উন্নয়নে রোলার মেশিন ভাড়া থেকে আয় হয়েছে দুই কোটি ৯১ লাখ ৩৬ হাজার ৮৩৩ টাকা।
মাসিক ভিত্তিতে আয় বিবেচনায়, জুলাইতে ৩১ লাখ ২২ হাজার ২৪৮ টাকা, আগস্টে ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৩২৫ টাকা, সেপ্টেম্বর ১৮ লাখ ১২ হাজার ৫১৭ টাকা, অক্টোবর ১৮ লাখ ৭৬ হাজার ৯৬২ টাকা, নভেম্বর ১৭ লাখ ৫৪ হাজার ৪০৯ টাকা, ডিসেম্বর ১১ লাখ ৪৬ হাজার ২১৭ টাকা, জানুয়ারি ৩৮ লাখ ৩৯ হাজার ৩৪১ টাকা, ফেব্রæয়ারি ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৯১৬ টাকা, মার্চ ৪৩ লাখ ৪ হাজার ৯৫৬ টাকা, এপ্রিল ২৩ লাখ ৯৬ হাজার ৮৮৫ টাকা, মে ৩০ লাখ ১৮ হাজার ৬৫৮ টাকা এবং জুনে ২৬ লাখ ৮৩ হাজার ৩৯৯ টাকা আয় হয়েছে।
উপ-সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মো. বিপ্লব হোসেন জানান, রোলার মেশিন সব সময় সচল রাখার এবং বিকল হলে সঙ্গে সঙ্গে মেরামতের কারণে ধারাবাহিক সাফল্য সম্ভব হয়েছে। ঠিকাদাররা চাহিদা অনুযায়ী মেশিন রাস্তায় পেয়ে কাজ সহজভাবে সম্পন্ন করতে পারছেন।
নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, “রোলার মেশিন ভাড়া এবং ল্যাবরেটরী টেস্ট ফি আদায়ে টাঙ্গাইল এলজিইডি ধারাবাহিকভাবে নজির সৃষ্টি করেছে। সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা টিমওয়ার্কের মাধ্যমে দিনের কাজ দিনে শেষ করার নীতি অনুসরণ করায় এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে। আগামী দিনগুলোতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছি।”
টাঙ্গাইল এলজিইডি জানিয়েছে, রোলার মেশিন ভাড়া ব্যবস্থার মাধ্যমে উন্নয়ন কাজের মানও বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলোও এই সার্ভিসে সন্তুষ্ট এবং সময়মতো কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। ধারাবাহিক মনিটরিং ও তদারকির মাধ্যমে এলজিইডি দেশের অন্যান্য জেলার জন্য উদাহরণ স্থাপন করছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/শাহো