
সংগৃহীত ছবি
বেশ কয়েক মাস পর বাজারে চালের দাম সামান্য কমেছে। মূলত ভারত থেকে আমদানি বেড়ে যাওয়ায় দাম কমার প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। তবে চড়া সবজি, মাছ ও পেঁয়াজের দাম এখনও স্বস্তিদায়ক পর্যায়ে আসেনি।
রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে, এখনো বেশিরভাগ সবজি কেজিতে ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি, ডিম ও নানা ধরনের মুদি পণ্যের দাম আগের মতোই রয়েছে।
চাল বিক্রেতারা জানিয়েছেন, ভারত থেকে সরু নাজিরশাইল ও মোটা কয়েক প্রকারের চাল আমদানি হচ্ছে, যার ফলে এগুলোর দাম কমেছে। তবে জনপ্রিয় মিনিকেট চালের দাম আগের মতোই ৭৮ থেকে ৮৫ টাকা কেজিতে। নাজিরশাইল চাল এখন ৮৪-৮৬ টাকা, মোটা পায়জাম ও স্বর্ণা জাতের চাল ৫৬-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সজিব রাইস এজেন্সির কর্ণধার সালমান হোসেন বলেন, “ভারত থেকে প্রচুর চাল আসছে, তাই দাম কমছে। তবে দেশি মিনিকেট চাল আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। আমদানি আরও বাড়লে দাম আরও কমতে পারে।”
তালতলা বাজারের চাল বিক্রেতা হোসেন আলী বলেন, “মোকামে প্রতি ২৫ কেজির বস্তার দাম ১০০-১২০ টাকা কমেছে। নাজির চাল এখন ২০০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ২২০০ টাকা পর্যন্ত ছিল।”
সবজির বাজারে দাম কিছুটা কমলেও স্বস্তিদায়ক পর্যায়ে আসেনি। পটোল, ঢ্যাঁড়শ, ঝিঙা প্রতি কেজি ৬০-৮০ টাকায়, করলা, বেগুন, বরবটি, চিচিঙ্গা ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ৪০ টাকা এবং আলু ৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
পেঁয়াজের দামও সামান্য কমেছে; আগে প্রতি কেজি ৭৫-৮০ টাকা, এখন ৬৫-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে পাড়া-মহল্লায় দাম অন্তত ৫ টাকা বেশি।
মাছের বাজারে দাম এখনও চড়া। চাষের মাছের সরবরাহ কমায় নদীর কিছু মাছের দাম বেড়েছে। ইলিশ প্রতি ৭০০ গ্রামে একহালি ৪ হাজার টাকা, ৪০০-৫০০ গ্রামের মাছ প্রতি কেজি ৮০০ টাকা। চাষের চিংড়ি ৭৫০-৮০০ টাকা, নদীর চিংড়ি ১০০০-১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কই, শিং, শোল, ট্যাংরা ও পুঁটির দামও বেড়েছে। চাষের রুই ৩৫০-৪২০ টাকা, কাতলা ৩৫০-৪২০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০-২৬০ টাকা ও পাঙ্গাশ ২০০-২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।