প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:১২ পিএম

প্রতীকী ছবি
সংকটে থাকা পাঁচ ইসলামী ব্যাংক একীভূত করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছেছে। ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশের আওতায় প্রতিটি ব্যাংকে একজন অস্থায়ী প্রশাসক এবং চারজন সহকারী কর্মকর্তা বসাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। লক্ষ্য হলো আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিয়ে খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনা।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ পর্ষদ সভা ডেকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক মিলে একীভূত করার সিদ্ধান্তে সম্মতি দিয়েছে সরকার। এসব ব্যাংকের ৪৮-৯৮ শতাংশ ঋণ খেলাপি। একীভূতের জন্য প্রয়োজনীয় ৩৫ হাজার ২০০ কোটি টাকার মধ্যে সরকার দেবে ২০ হাজার ২০০ কোটি।
প্রশাসক দায়িত্ব নেওয়ার পর বিদ্যমান পরিচালনা পর্ষদ ও এমডির পদ শূন্য হবে। শেয়ারও বাতিল হবে। তবে আমানতকারী ও কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। নতুন লাইসেন্সে ‘ইউনাইটেড ইসলামী ব্যাংক’ নামে একটি ব্যাংক গড়ে উঠবে। এতে পাঁচ ব্যাংকের সম্পদ ও দায় যুক্ত হবে। পরবর্তীতে শেয়ার বেসরকারি খাতে বিক্রি করে সরকারের অর্থ ফেরত আনা হবে।
এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর বক্তব্য শুনে একীভূতের সিদ্ধান্ত নেয়। ফার্স্ট সিকিউরিটি, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক সরাসরি সম্মত হয়। এক্সিম ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক সময় চাইলেও তা মঞ্জুর হয়নি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, “আমানতকারীদের সুরক্ষার জন্যই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকার তাদের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেবে।”
সুত্র: সমকাল
স্বদেশ প্রতিদিন/শাহো