প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:০৭ পিএম আপডেট: ১১.০৯.২০২৫ ১০:২৯ PM

সংগৃহীত ছবি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু দায়েন বলেছেন, বিকেল থেকে দেখছি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও চারটি বাম সংগঠন ভোট বর্জন করেছে। বামদের বর্জনের বিষয়ে বলার নেই, কিন্তু ছাত্রদলের বর্জন নিয়ে ধন্ধে পড়ে গেছি। ছাত্রদল ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে ভোট দেওয়ার শেষ ১০ মিনিটের মধ্যে। অনিয়মের অভিযোগও দেখেছি।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা ১৬ মিনিটে ড. দায়েন তার ফেসবুক আইডিতে দেয়া এক স্ট্যাটাসে েসব কথা বলেন।
তিনি লেখেন, নির্বাচনে কারসাজির অভিযোগ আসলে কার বিরুদ্ধে তা স্পষ্ট নয়। ফেসবুকে এক পোস্টে চারজনের নাম দেখা গেছে, চারজনই সম্ভবত চারটি হলের প্রভোস্ট। একজন নারী শিক্ষকও আছেন। তাদের রাজনৈতিক আদর্শ সম্পর্কে তার ধারণা নেই। বাকিদের মধ্যে দুজন অতীতের সময়কালে আওয়ামী লীগ সমর্থক শিক্ষক ছিলেন, আর একজন দীর্ঘ ৩৩ বছর ধরে বিএনপিপন্থি শিক্ষক হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন নির্বাচনে এই শিক্ষক বিএনপির মনোনয়নে প্রার্থী হয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
ড. দায়েন আরো লেখেন , বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী, প্রভোস্টরা অফুরন্ত ক্ষমতার অধিকারী। তাদের টিমে থাকা অন্য শিক্ষকদের রাজনৈতিক পরিচয়ও বিতর্কিত। একজন সামাজিকভাবে জামায়াত সমর্থক হিসেবে পরিচিত, আর একজন চাকরিতে যোগদান করেছিলেন বিএনপির আমলে। প্রশাসনের নেতৃত্বে থাকা উপাচার্যও বিএনপিপন্থি হিসেবে পরিচিত।
‘জাকসুতে বিএনপিপন্থি উপাচার্য ও প্রশাসনের অধীনে থাকা শিক্ষকরা, যারা দায়িত্বে ছিলেন, তারা কারচুপি ও অনিয়মে সরাসরি যুক্ত কি না’ জানতে চেয়ে দায়েন লেখেন, যদি উপাচার্য চুপ থাকেন, তাহলে প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ মানা তার বিরুদ্ধেও হবে। তারা কি বিএনপির স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করছেন, নাকি তা স্বীকার করছেন না। সব মিলিয়ে তিনি আচানক ধন্ধে পড়ে গেছেন। ভোট শেষ হওয়ার আগে যারা ভোট বর্জন করেছে, তারা যদি জয়ী হয়, তা কীভাবে সম্ভব হবে, তা বোঝার চেষ্টা করছেন।
ড. দায়েনের মতে, দিনকাল এখন ভালো নেই।