প্রকাশ: বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫, ৫:০৯ AM

এদিন দ্রুত নিবন্ধন করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়
চাঁদপুর সদর ও ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১৪টি খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) অনুমোদন নেই। এসব প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত লাইসেন্স করার তাগাদা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দিনব্যাপী এসব প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করে সতর্ক করে দেন বিএসটিআই কুমিল্লা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও সদর উপজেলায় বিএসটিআই কুমিল্লা অফিসের অভিযানে অবৈধ খাদ্য উৎপাদনকারী কারখানায় অতিসত্বর লাইসেন্স গ্রহণের তাগাদা প্রদান, অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেয়া হল। বিএসটিআই কুমিল্লা অফিস কর্তৃক একটি সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নিম্নোক্ত অবৈধ প্রতিষ্ঠানগুলোকে অতিসত্বর বিএসটিআই এর লাইসেন্স গ্রহণের তাগাদা প্রদান করা হয়।
নিবন্ধন ছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার চান্দ্রা বাজারের ঢাকা বেকারি, মামা ভাগিনা লাইভ বেকারি, চিটাগং বেকারি, ইসলামিয়া বেকারি, ভাই ভাই ফুড প্রোডাক্ট, একই উপজেলার কালির বাজারের আল্লাহর দান বেকারি, মোহাম্মদিয়া বেকারি, চান্দ্রা বাজাররের স্টার গোল্ড বেকারি, চাঁদপুর সদরের ওয়ারলেস এলাকার ভূঁইয়া ফুড এন্ড লাইভ বেকারি, চাঁদপুর পৌরসভা সংলগ্ন আল আকসা লাইভ বেকারি, শহরের পুরান বাজার রয়েজ রোডের ঢাকা মহানগর বেকারি, পুরান বাজার রঘুনাথপুর এলাকার যমুনা ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরি, পুরান বাজার টিন বাজার এলাকার মীম ফুড প্রোডাক্টস ও পুরান বাজারের বাবা অটো রাইস মিল।
এছাড়াও অভিযান কালে চাঁদপুর রাইস মিল মালিক সমিতির সভাপতির সাথে আলোচনা করে সকল অটো রাইস মিল প্রতিষ্ঠানকে পণ্য মোড়কজাত নিবন্ধন সনদ গ্রহণের পরামর্শ প্রদান করা হয়।
অভিযানটি বিএসটিআই কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের অফিস প্রধান উপপরিচালক (রসায়ন) পরিতোষ চন্দ্র তালুকদারের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়।
অভিযানে অংশগ্রহণ করে সার্বিক সহযোগিতা করেন একই কার্যালয়ের ফিল্ড অফিসার (সিএম) মো. আমিনুল ইসলাম শাকিল ও পরিদর্শক (মেট্টোলজি) মো. হাফিজুর রহমান। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।