
একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তির প্রথম ধাপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ ধাপে ২৫,৩৪৮ জন শিক্ষার্থী কোনো কলেজে ভর্তির সুযোগ পাননি। এদের মধ্যে ৫,৭৬৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ প্রাপ্ত।
এছাড়া দেশের ৩৭৮টি কলেজে একজনও শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য পাননি এবং ১০টি কলেজে কেউ পছন্দক্রম (চয়েজ) দেননি।
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মো. রিজাউল হক জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রথম ধাপে একাদশে ভর্তি পরীক্ষায় মোট ১০,৭৩,৩১০ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন এবং তারা মিলিয়ে ৫৯,২৮,৫৬৭টি কলেজ পছন্দক্রম দিয়েছেন। এর মধ্যে ১০,৪৭,৯৬২ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন, তবে ২৫,৩৪৮ জন শিক্ষার্থী কোনো কলেজে ভর্তির সুযোগ পাননি।
চলতি বছর সারাদেশে ৮,০১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একাদশে কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে ৩৭৮টি কলেজে একজনও শিক্ষার্থী না পাওয়া এবং ১০টি কলেজে কেউ পছন্দক্রম না দেওয়াও দেখা গেছে।
জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা কেন কলেজ পাননি?
একাদশে ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী তার এসএসসি ফলাফল এবং অনলাইনে দেওয়া পছন্দক্রমের ভিত্তিতে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হন। একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দক্রমে দিতে পারেন। অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির জানান, শিক্ষার্থীরা দেশের কিছু ভালো কলেজে বেশি আগ্রহী থাকায় সেই কলেজগুলোর আসনের জন্য তীব্র প্রতিযোগিতা হয়। অনেক জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীও আসন না পাওয়ার কারণ হলো, তাদের নম্বরের ভিত্তিতে সামনের কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রথম সুযোগ পেয়ে যান।
কলেজ না পাওয়া শিক্ষার্থীদের করণীয়:
প্রথম ধাপে ভর্তির সুযোগ না পাওয়া শিক্ষার্থীদের আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে দ্বিতীয় ধাপে স্থানান্তরিত হবে। তারা অনলাইনে প্রবেশ করে পছন্দক্রমে পরিবর্তন আনতে পারবেন। অধ্যাপক এহসানুল কবির বলেন, “শিক্ষার্থীদের নতুন কিছু কলেজ যোগ করার পরামর্শ আছে। আসনের কোনো সংকট নেই; সব শিক্ষার্থীই ভর্তি হতে পারবেন।”
এদিকে প্রথম ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের দ্রুত ৩৩৫ টাকা ফি পরিশোধ করে প্রাথমিক ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। বিকাশের মাধ্যমে নিশ্চায়ন ফি পরিশোধের সুবিধা রয়েছে। কেউ যদি প্রথম ধাপে কাঙ্ক্ষিত কলেজ না পান, তাতেও প্রাথমিক ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে, কারণ দ্বিতীয় ধাপে পছন্দক্রম অনুযায়ী প্রথম মাইগ্রেশনের ফলাফল প্রকাশ করা হবে এবং সেখানে তারা পছন্দের কলেজ পেতে পারেন।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ