প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫, ৮:৩৪ পিএম

উজান থেকে নেমে আসা ঢলে রাজবাড়ীতে নদ-নদীর পানি হু হু করে বাড়ছে। যদিও এখনও পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি, তবে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের মানুষ প্লাবনের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন। পানি বৃদ্ধি ও ভাঙনের কারণে জেলার ৫৭ কিলোমিটার নদী তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এম এ শামীম জানান, পদ্মার পানি প্রতিনিয়ত বাড়ছে। সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের মহাদেবপুর, চর সেলিমপুর, কালিতলা ও মেছোঘাটা এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।
এছাড়া দৌলতদিয়া ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া এলাকায় ৬০–৭০ বিঘা কৃষিজমি বিলীন হয়েছে। দৌলতদিয়ার ৩ ও ৭ নং ফেরিঘাট এলাকায় কয়েকটি ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে সব ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাট।
পাউবো সূত্রে জানা গেছে, ১৪ আগস্ট সকাল ৯টার তথ্যানুযায়ী ৪টি গেজ স্টেশনে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া পয়েন্টে পানি ৭.৯১ মিটার (বিপৎসীমা ৮.২০ মি), মহেন্দ্রপুরে ৮.৮২ মিটার (বিপৎসীমা ১০.৫০ মি), পাংশার সেনগ্রামে ৯.৮২ মিটার (বিপৎসীমা ১০.৫২ মি) এবং গড়াই নদীর কামারখালী ব্রিজ পয়েন্টে ৭.৪৫ মিটার (বিপৎসীমা ৭.৭৫ মি) পর্যায়ে রয়েছে।
উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এম এ শামীম জানান, পানি বৃদ্ধির কারণে কয়েকটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। সেগুলো রোধে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। বর্তমানে চরাঞ্চল বা নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ