প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫, ৯:১০ পিএম আপডেট: ১২.০৮.২০২৫ ৯:২৯ PM

ধর্মব্যবসায়ী উগ্রবাদী গোষ্ঠীর মব সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নোয়াখালী জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেছে হেযবুত তওহীদ।
সোমবার বিকালে হেযবুত তওহীদ নোয়াখালী শাখার পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ বরাবর হেযবুত তওহীদের নোয়াখালীর সভাপতি আশেক মাহমুদের নেতৃত্বে এই স্মারক লিপি প্রদান করা হয়।
জেলা প্রশাসক বরাবর প্রেরিত স্মারক লিপিতে বলা হয়, একটি উগ্রবাদী, সাম্প্রদায়িক ও ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠী নিয়মিতভাবে অরাজনৈতিক আন্দোলন হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়াচ্ছে এবং একটি ‘মব’ সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে। ইতোপূর্বে কয়েকবার এই গোষ্ঠীটি সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে মিথ্যা গুজব রটিয়ে হেযবুত তওহীদের নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট করেছে এবং দুইজন সদস্যকে প্রকাশ্য দিবালোকে জবাই করে হত্যা করেছে। এখনও তারা প্রতিনিয়ত মিথ্যা প্রপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে।
হেযবুত তওহীদ বারবার এ জন্য আইনের দ্বারস্থ হয়েছে, কিন্তু উগ্রগোষ্ঠীটি কখনওই আইনের আওতায় আসেনি। ফলে এখন তারা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা বিভিন্ন নামে বেনামে ভুয়া ভুইফোঁড় সংগঠন তৈরি করে, মাদ্রাসার কোমলমতি ছাত্রদের সামনে রেখে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। নোয়াখালী জেলায় হাজার হাজার হেযবুত তওহীদের নেতাকর্মী এই মব সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে জেলা সভাপতি আশেক মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম শাসনতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এখানে প্রত্যেক নাগরিকের মত-প্রকাশের সাংবিধানিক মানবাধিকার রয়েছে। কিন্তু এই গোষ্ঠীটি বারবার আমাদের মানবাধিকারের অধিকার ধ্বংস করে চলেছে। আমরা এই উগ্রবাদীদের নাম-ঠিকানা প্রশাসনের কাছে বহুবার জমা দিয়েছি, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, তারা যেভাবে অত্র এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা ও ওয়াজ মাহফিলে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে, এতে বড় ধরনের নাশকতা ও মব সৃষ্টির আশঙ্কা করছি। স্মারক লিপি প্রদানকালে নোয়াখালী সদর শাখার সভাপতি ডা. আলমগীর, বেগমগঞ্জ শাখার সভাপতি শাহেদুর রহমান, সুবর্ণচর শাখার সভাপতি আব্দুল মান্নান ও গণমাধ্যম সম্পাদক গোলাম কবিরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নোয়াখালী।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ