প্রকাশ: রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫, ৯:৩৯ পিএম আপডেট: ০৩.০৮.২০২৫ ৯:৫৭ PM

সখীপুর টাঙ্গাইল পারিবারিক কলহের এক পর্যায়ে ছেলে-মেয়ের সামনেই স্ত্রীকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে।
রোববার (৩ আগস্ট) সকালে টাঙ্গাইলের সখীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জেলখানা মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই নিহতের স্বামী মেহেদী হাসান পলাতক ছিল, বলে পুলিশ জানায়। পরে রাত ৮ টায় গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকা থেকে খুনি স্বামী মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী (র্যাব)।
মেহেদী উপজেলার ইছাদিঘী গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে। মেহেদী হাসান ও কাকলী (৩০) দম্পতির এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে ৬ মাস ধরে জেলখানা মোড়ের ভাড়া বাসায় থাকতেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছেন। নিহতের ভাই বাদল মিয়া বাদী হয়ে খুনের মামলা করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছয় মাস আগে ওই দম্পতি গ্রামের বাড়ি উপজেলার ইছাদিঘী থেকে সখীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জেলখানা মোড় এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নেন। রোববার সকাল নয়টার দিকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে ছেলে-মেয়েদের সামনেই একটি ছুরি নিয়ে স্ত্রীর পিঠে আঘাত করেন মেহেদী। এরপর মেহেদী হাসান পালিয়ে যান। ছেলে-মেয়েদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে গুরুতর আহত কাকলীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাকলিকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের মেয়ে মেরি আক্তার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ‘মেরি বলে, ঝগড়া বিবাদের এক পর্যায়ে আমি ও আমার ছোট ভাইয়ের সামনেই বাবা একটি ছুরি হাতে নিয়ে আমার মায়ের পিঠে উপর্যুপরি আঘাত করে মেরে ফেলে। পরে মাকে আমরা হাসপাতালে নিয়ে যাই।’
থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন মিয়া বলেন, নিহতের পিঠে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
সখীপুর থানার ওসি আবু কালাম ভূইয়া স্বদেশ প্রতিদিনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন যে, রাত ৮ টায় গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকা থেকে খুনের সঙ্গে জড়িত কাকলীর স্বামী মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী (র্যাব)।
স্বদেশ প্রতিদিন/কেআইকে