প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫, ৯:১৯ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেছেন, “শুধু একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্য দিয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে সংজ্ঞায়িত করা সম্ভব নয়। বিভিন্ন প্রেক্ষাপট থেকে জুলাইকে দেখার ও বিশ্লেষণ করার প্রয়োজনীয়তা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। সামনের কঠিন সময়গুলো অতিক্রম করার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পেতে জুলাই অভ্যুত্থানকে নিয়ে আরও আলোচনা হওয়া দরকার।”
মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) ঢাবির ফার্মেসি অনুষদ এবং ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত “জাগরণে জুলাই: যেখানে সাহস জাগে, সেখানেই জুলাই বহে” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাবির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
এছাড়াও, সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রশীদ। ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী সানজিদা আফরিন প্রাচী ও মোহাম্মদ হাসিবুল ইসলাম এবং ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মাহিবী আলম প্রিন্স ও নাহরিন সামায়লা বিনতে আকতার অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণ করেন।
উপাচার্য বলেন, “একাডেমিক প্রেক্ষাপট থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে বিশ্লেষণ করার উদ্যোগগুলো সারাবছর ধরে চালিয়ে যেতে হবে। আলোচনার মাধ্যমে আত্মমূল্যায়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে আমরা নিজেদের ভুল-ত্রুটি শুধরাতে পারবো।”
জুলাইয়ের প্রতি সকলের গভীর ভালোবাসা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “কিছু মানুষের রক্তের উপর আমরা দাঁড়িয়ে আছি। যাঁরা নিজেদের জীবনের বিনিময়ে আমাদের জন্য নতুন বাংলাদেশ এনে দিয়েছেন, তাঁদের ঋণ শোধ করতে হবে। অভ্যুত্থানের চেতনা ধরে রাখতে আমাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। এই অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে সকলের মধ্যে ঐক্য গড়ার যে ভালো উদাহরণ তৈরি হয়েছে, সমাজে তা ছড়িয়ে দিতে হবে। সমাজকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের চলতে হবে।”
স্বদেশ প্রতিদিন/কেআইকে