শুক্রবার ● ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেয়া হবে না       ● নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মোংলায় বিএনপির বিক্ষোভ       ● আওয়ামী লী‌গের তিন নেতা গ্রেপ্তার      ● সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রকল্পের সমাপনী      ● সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ       ● আইনশৃঙ্খলা সভায় হট্টগোল, তর্কে জড়ালেন এমপি হান্নান      ● লাতিন আমেরিকার দুই দলকে হারাল জাপান-কোরিয়া      ● কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ৫১ কিশোর আটক      ● প্রথম ১৪ ওয়ানডেতেই ইতিহাস গড়লেন ম্যাথু ব্রিটজকে      ● ২৫ সেপ্টেম্বরের মুর্তজা কিজিলবাশের কনসার্ট স্থগিত      ● অঙ্কন-নন্দিতার দ্বৈত কণ্ঠে আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘মথুরা’      ● ফোটন সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন      
প্রাকৃতিক আজাব কখন, কেন হয়
স্বদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫, ৩:৫৮ পিএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

যখন মানুষের মাঝে পাপাচার বেড়ে যায় এবং ইমান ও আমল দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন আল্লাহর পক্ষ থেকে বিভিন্ন আজাব ও গজব নেমে আসে। 

কুরআনে বলা হয়েছে— “মানুষের কৃতকর্মের দরুন স্থল ও জলে বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি তাদের কোনো কোনো কাজের শাস্তি আস্বাদন করান, যাতে তারা ফিরে আসে।” (সুরা রূম, আয়াত: ৪১)। 

মানুষের অবাধ্যতা, কুফরি ও পাপাচারই সমাজে বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ। 

এ কারণে আল্লাহ মাঝে মাঝে মহামারি, অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টি, বজ্রপাত, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস বা ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগের মাধ্যমে মানুষকে সতর্ক করেন।

হজরত নুহ (আ.)-এর কওম আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করে পাপাচারে লিপ্ত ছিল। বারবার সতর্ক করার পরও তারা ফিরে না আসায় আল্লাহ তাদের ওপর কঠিন আজাব নাজিল করেন। প্রবল প্লাবনে তারা সবাই ধ্বংস হয়। কেবল হজরত নুহ (আ.)-এর নৌকায় যারা ছিলেন, তারাই রক্ষা পান। 

আল্লাহ বলেন— “আমি তার বংশধরদের অবশিষ্ট রেখেছি বংশপরম্পরায়।” (সুরা সাফফাত, আয়াত: ৭৭)। 

এ ঘটনা প্রমাণ করে, আল্লাহর নাফরমানির ফলেই বড় দুর্যোগ আসে, আর তাওবা ও ফিরে আসার মাধ্যমে মানুষ রক্ষা পায়।

মানুষের কু-কর্মের পরিণতিতে বজ্রপাত, ঘূর্ণিঝড় ও ঝড়বৃষ্টি সংঘটিত হয়। 

কুরআনে বলা হয়েছে— “বজ্র তারই তাসবিহ ও হামদ জ্ঞাপন করে এবং ফেরেশতারাও তা করে তার ভয়ে। তিনিই গর্জমান বিজলি পাঠান, তারপর যার ওপর ইচ্ছা, একে বিপদরূপে পতিত করেন।” (সুরা রাদ, আয়াত: ১৩)। 

মানুষের পাপ যত বাড়বে, আল্লাহর আজাব ততই নেমে আসবে—এটাই হচ্ছে নিয়ম।

আল্লাহর কঠিন শাস্তির রূপ হিসেবে এসব দুর্যোগ দেখা দেয়। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন— “তোমরা কি নিশ্চিত যে, তিনি স্থলের কোনো দিক ধসিয়ে দেবেন না বা তোমাদের ওপর শিলা বর্ষণকারী বাতাস প্রেরণ করবেন না? … অথবা সমুদ্রে তোমাদের ফিরিয়ে নিয়ে প্রচণ্ড বাতাস পাঠিয়ে তোমাদের ডুবিয়ে দেবেন না, তোমরা কুফরি করার কারণে?” (সুরা বনি ইসরাইল, আয়াত: ৬৭-৬৯)।

এইসব বিপর্যয় মানুষের ভুল ও পাপের ফল। এসব থেকে মুক্তি পেতে হলে আমাদেরকে আল্লাহর দিকে ফিরে যেতে হবে, তওবা ও ইস্তেগফার করতে হবে এবং নিয়মিত নেক আমল করতে হবে। 

স্বদেশ প্রতিদিন/এমএএম



আরও সংবাদ   বিষয়:  প্রাকৃতিক আজাব   






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close