প্রকাশ: বুধবার, ২ জুলাই, ২০২৫, ১০:৩৯ পিএম আপডেট: ০৩.০৭.২০২৫ ২:৩৬ PM

ইসলামী শিক্ষার প্রসারে দেশের প্রথম ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্ণার’ স্থাপনের উদ্যোগ নিচ্ছে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)। এই লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদেমুল হারামাইন বাদশা ফাহদ বিন আব্দুল আজিজ কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেছেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আব্দুস ছালাম খান।
বুধবার (২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গ্রন্থাগার পরিদর্শন শেষে গ্রন্থাগারিক কার্যালয়ে এক সংক্ষিপ্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী, থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আ.ব.ম. ছিদ্দিকুর রহমান আশরাফী, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ওবায়দুল ইসলাম, সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. ফকরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন, অধ্যাপক ড. মো. নাছির উদ্দিন মিঝিসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও ছাত্রনেতৃবৃন্দ।
সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, “ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভায় আমরা দুটি প্রস্তাব দিয়েছিলাম— এক. মসজিদভিত্তিক লাইব্রেরি স্থাপন এবং দুই. কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্নার চালু করা। এর মধ্যে দ্বিতীয় প্রস্তাবটি গৃহীত হয়েছে। আমার নেতৃত্বে ইসলামী শিক্ষার উন্নয়নই হবে সর্বাগ্রে। সেই উন্নয়নে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কীভাবে অবদান রাখতে পারে, তা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ গঠিত হয়েছিল ইসলামিক ফাউন্ডেশন লন্ডনের আদলে, যার মূল উদ্দেশ্যই ছিল গবেষণায় ইসলামের অগ্রাধিকার।”
এ সময় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আব্দুস ছালাম খান বলেন, “গভর্নিং বডির সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছি। দেশের প্রথম ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্নার হবে এখানেই। ইসলামকে সমুন্নত রাখতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সহযোগিতা কামনা করছি। এখানে ইসলাম নিয়ে কাজ করার অনেক ক্ষেত্র ও সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা মানব উন্নয়নে কিছু দক্ষ শিক্ষার্থী গড়ে তুলতে চাই, যারা ভবিষ্যতে ইসলামের আলোকে সমাজে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবে।”
এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ইসলামী শিক্ষার প্রসার ও গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর