বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেয়া হবে না       নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মোংলায় বিএনপির বিক্ষোভ       আওয়ামী লী‌গের তিন নেতা গ্রেপ্তার      সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রকল্পের সমাপনী      সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ       আইনশৃঙ্খলা সভায় হট্টগোল, তর্কে জড়ালেন এমপি হান্নান      লাতিন আমেরিকার দুই দলকে হারাল জাপান-কোরিয়া      কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ৫১ কিশোর আটক      প্রথম ১৪ ওয়ানডেতেই ইতিহাস গড়লেন ম্যাথু ব্রিটজকে      ২৫ সেপ্টেম্বরের মুর্তজা কিজিলবাশের কনসার্ট স্থগিত      অঙ্কন-নন্দিতার দ্বৈত কণ্ঠে আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘মথুরা’      ফোটন সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন      
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
চিকিৎসক বানানোর কারিগর নিয়োগেই অনিয়মের অভিযোগ
ভাইভায় তৃতীয় হওয়া নারীকে নিয়োগের চেষ্টা, কলকাঠি নাড়ছেন সাবেক চেয়ারম্যান
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ২ জুলাই, ২০২৫, ১০:২৪ পিএম আপডেট: ০৩.০৭.২০২৫ ৮:৪৩ PM

উচ্চতর চিকিৎসাশিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ, সাবেক বিএসএমএমইউ) বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোজাম্মেল হক ব্যক্তিগত ‘গভীর’ সম্পর্ক ও রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে অযোগ্য প্রার্থীকে সহযোগী অধ্যাপক পদে নিয়োগ দিতে প্রশাসনের ওপর চাপ প্রয়োগ করছেন। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সহযোগী অধ্যাপক পদে ওই প্রার্থীকে নিয়োগের জোর চেষ্টা চলছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সহযোগী অধ্যাপক পদে আবেদনকারীর বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তত তিন বছর অথবা অন্যান্য স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম চার বছর সহকারী অধ্যাপক হিসেবে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বিষয়টি ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল। অথচ ওই পদে আবেদনকারী ডা. মিলিভা মোজাফফর এই শর্ত পূরণ না করেও আবেদনপত্রে নিজেকে ২০১৭ সাল থেকেই সহকারী অধ্যাপক হিসেবে উল্লেখ করেন। 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ডা. মিলিভা মোজাফফর ২০১৭ সালের ১লা জুন উত্তরার ১ নম্বর সেক্টরের ৮-৯ রোডের ৪ নম্বর বাড়িতে অবস্থিত বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ফর উইমেন এন্ড হসপিটাল-এ প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। ওই মেডিকেল কলেজ সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান যা ২০২২ সালের ১০ মে কলেজের গভর্নিং বডি কর্তৃক অনুমোদিত হয়।

ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন করার পরও ডা. মিলিভা মোজাফফরকে ২০২৫ সালের ২৭ মে নিয়োগ বোর্ডের সাক্ষাৎকারে ডাকা হয়। অথচ একই পদের জন্য অনেক যোগ্য প্রার্থীকে সাক্ষাৎকারেই ডাকা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অধ্যাপক মোজাম্মেল হক নিজের প্রভাব খাটিয়ে ডা. মিলিভাকে নির্বাচিত করেন এবং পরে দ্রুত নিয়োগপত্র প্রদানের জন্য প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। পরিস্থিতি জানাজানি হলে বিষয়টি ঘোলাটে হয়ে যায়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিয়োগপত্র স্থগিত রাখে এবং তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

ডা. মিলিভার স্বামী ডা. মোহাম্মদ টিপু সুলতান বগুড়া মেডিকেল কলেজের ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে ড্যাব নেতা। অভিযোগ রয়েছে, তার প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি-সমর্থিত চিকিৎসক নেতারা তদন্ত প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। সংশ্লিষ্ট বিভাগে তাদের রাজনৈতিক মহড়ার কারণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

পাশাপাশি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোজাম্মেল হক ডা. মিলিভার আবেদনপত্রে ২০১৭ থেকে সহকারী অধ্যাপক হওয়ার ভুয়া তথ্যকে উপেক্ষা করে তাকে ২০২০ সাল থেকে 'চলতি দায়িত্বে' থাকা অবস্থাকে 'নিয়মিত পদে চাকরি' বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। অথচ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী, চলতি দায়িত্ব কখনোই নিয়মিত পদ হিসেবে গণ্য হয় না। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষক নিয়োগবিধি মোতাবেক নিয়মিত পদে চাকরির বাধ্যবাধকতা আছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের শিক্ষক নিয়োগের নীতিমালায় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে "চলতি দায়িত্ব" এর কোনো অস্তিত্ব বা স্বীকৃতি নেই।     

ডা. মিলিভা মোজাফফরের হাতে লেখা আবেদনপত্রটি যাচাই করে দেখা গেছে, আবেদনপত্রের ১৭ নম্বর পয়েন্টে সহকারী অধ্যাপক পদের যে বেতনস্কেল উল্লেখ করেছেন, সেটি তিনি পেয়েছেন ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে। কিন্তু তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়ে লিখেছেন, তিনি ২০২০ সাল থেকেই এটি পাচ্ছেন—এবং ইচ্ছাকৃতভাবে তার প্রভাষক বেতন স্কেলে চলতি দায়িত্বের পদের তথ্য গোপন করেছেন।

এছাড়া ১৬ নম্বর পয়েন্টে তিনি দাবি করেছেন যে তিনি ২০১৭ সাল থেকেই সহকারী অধ্যাপক, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ১৩ নম্বর পয়েন্টে তিনি নিজেকে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস এর একজন পিএইচডি ছাত্রী হিসেবে উল্লেখ করেছেন, অথচ অভিযোগ রয়েছে তিনি অকৃতকার্য হয়ে সেই কোর্স ছেড়ে দিয়েছেন প্রায় দুই বছর আগে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে তিনি পিএইচডি ছাত্রী হিসেবে আবেদনে কোনো প্রমাণপত্রও জমা দেননি।

প্রচলিত নিয়মে দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে বহু শিক্ষক বর্তমানে চলতি দায়িত্বে সহকারী অধ্যাপক পদে কর্মরত থাকলেও, তারা নিয়মিত পদে চাকরির শর্ত পূরণ না করায় উচ্চ পদে পদোন্নতির জন্য যোগ্য বিবেচিত হন না। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ নীতিমালা অনুযায়ী, আবেদনে মিথ্যা তথ্য প্রদান শাস্তিযোগ্য অপরাধ এবং আবেদনপত্র বাতিলযোগ্য। এ অবস্থায় অধ্যাপক মোজাম্মেল হকের ভূমিকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে বলে শিক্ষকমহলে সমালোচনা চলছে।

আরও জানা গেছে, ২০২৪ সালের নভেম্বরে অবসর-উত্তর ছুটিতে গেলেও অধ্যাপক মোজাম্মেল হক গত জুন মাসেও নিয়মিত অফিস করেছেন, কক্ষ দখলে রেখেছেন এবং বিভাগের কার্যক্রমে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছেন। বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের ল্যাব, রিয়েজেন্ট ও যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় তার প্রভাব রয়েছে।

এ ঘটনায় পুরো বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা দ্রুত তদন্ত শেষ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে অনুসন্ধানে জানা গেছে, নিয়োগ বোর্ডের সাক্ষাৎকারে তৃতীয় স্থানে অধিকার করেছিলেন ডা. মিলিভা। অথচ প্রথম স্থানে থাকা ডা. মোহাম্মদ আলীর অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা ছিল তার থেকেও বেশি। প্রথমকে বাদ দিয়ে তৃতীয় স্থানে থাকা মিলিভাকে কেন নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করা হলো তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে নিয়োগ কমিটির বিরুদ্ধেও। 

এ বিষয়ে আরো জানতে যোগাযোগ করা হয় প্রথম স্থান অধিকার করা প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ আলীর সাথে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে স্বদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমি ২০২৩ সালে তৎকালীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পাই, তখন উপাচার্য ছিলেন অধ্যাপক শরফুদ্দিন আহমেদ। পিএইচডি সম্পন্ন করে আমি ২০২৪ সালের জুন মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানের জন্য দেশে ফিরি। তখন উপাচার্য ছিলেন অধ্যাপক দ্বীন মোহাম্মদ। কিন্তু তখন রাজনৈতিক মহলের চাপে আমার যোগদান বাধাগ্রস্ত হয়। তারা আমাকে বিএনপিপন্থী হিসেবে আখ্যায়িত করে অভিযোগ তোলে যে অধ্যাপক শরফুদ্দিন আমার পরিচয় জেনেও তাদের বিরুদ্ধে গিয়ে নিয়োগ দিয়েছেন। আমি বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক চাপে পদত‍্যাগ করতে বাধ‍্য হই। 

ডা. মোহাম্মদ আলী বলেন, এরপর ২০২৫ সালের ২৭ মে আমি পুনরায় নিয়োগ বোর্ডের সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণ করি।  মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক শাহিনুল আলম আমার শিক্ষাগত ও গবেষণাগত যোগ্যতা দেখে অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন এবং বোর্ড আমাকে নির্বাচিত করে বলে জানতে পারি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে বোর্ডের ফলাফল জানাজানি হলে সিন্ডিকেট সভার ঠিক আগমুহূর্তে, আবারও একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা ৩৬০ মুভমেন্ট ফর জাস্টিস ব্যানারে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করে। বিড়ম্বনার বিষয় হচ্ছে, এবার তারা আমাকে ‘আওয়ামী লীগপন্থী’ বলে আখ্যায়িত করে—শুধু এই কারণে যে আমার প্রথম নিয়োগ হয়েছিল অধ্যাপক শরফুদ্দিনের সময়ে।

তিনি বলেন, আমি একমাত্র পিএইচডি ডিগ্রিধারী প্রার্থী ছিলাম যাকে সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হয়েছিল। আমি যুক্তরাজ‍্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি সম্পন্ন করেছি এবং বর্তমানে সেখানেই একজন পোস্টডক্টোরাল বিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করছি। আমার গবেষণা বিশ্বের খ্যাতনামা জার্নাল যেমন Nature, Science, Cell এবং Lancet গ্রুপে প্রকাশিত হয়েছে। আমার গুগল স্কলার সাইটেশন ৩০০০-এর বেশি, h-index ১৭, রিসার্চগেট সাইটেশন ১১০০+, এবং আমি এখন পর্যন্ত Scopus ইনডেক্সকৃত ২৪টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করেছি, এবং আরো প্রক্রিয়াধীন আছে।

একজন নিরপেক্ষ পেশাদার চিকিৎসাবিজ্ঞানী হিসেবে দেশের সেবায় নিয়োজিত রাখার প্রত্যাশা রেখে তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ে নয়, আমার শিক্ষা, অভিজ্ঞতা ও মেধা দিয়েই আমি দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় অবদান রাখতে আগ্রহী।

অভিযোগের বিষয়ে বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোজাম্মেল হক স্বদেশ প্রতিদিনকে বলেন, শর্তের চেয়েও ওই প্রার্থী ডা. মিলিভা মোজাফফরের অভিজ্ঞতা বেশি রয়েছে। তার ৫ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। 

তিনিতো (ডা. মিলিভা মোজাফফর) সহকারী অধ্যাপক হিসেবে ৩ বছর চাকরি করেছেন, আমাদের কাছে ডকুমেন্ট রয়েছে। তাহলে ৫ বছর কিভাবে হলো- এ প্রশ্ন করা হলে তিনি এ বিষয়ে টপ অথরিটির সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন। এরপর ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। পরে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। 

এসব বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ডা. মিলিভা মোজাফফর স্বদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আপনারা যেখান থেকে এসব অভিযোগ পেয়েছেন সেখানেই যাচাই করুন। আমি কিছু বলতে পারছি না। 

শর্ত পূরণ না করেও আবেদনপত্রে নিজেকে ২০১৭ সাল থেকেই সহকারী অধ্যাপক হিসেবে উল্লেখ করার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।  এসময় আরো অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নামাজের কথা বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা এ বিষয়ে তদন্ত করছি। আমরা বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নিচ্ছি। তার ব্যাপারে এমন অভিযোগ থাকায় আমরা এখনো নিয়োগপত্র দেইনি। 

স্বদেশ প্রতিদিনকে দেওয়া সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোজাম্মেল হকের বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উনি (মোজাম্মেল হক) এটা কেন বলেছেন সেটা বলতে পারছি না। তবে বিষয়টি নিয়ে আমরা তদন্ত করছি। তাকে এখনো নিয়োগ দেওয়া হয়নি। 

এসব জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. শাহীনুল আলমের মুঠোফোনে (অনলাইন এবং অফলাইনে) প্রায় এক সপ্তাহ ধরে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে বার্তা পাঠানো হলেও তাতে তিনি সাড়া দেননি।

স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর


আরও সংবাদ   বিষয়:  চিকিৎসক   কারিগর   বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close