শুক্রবার ● ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেয়া হবে না       ● নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মোংলায় বিএনপির বিক্ষোভ       ● আওয়ামী লী‌গের তিন নেতা গ্রেপ্তার      ● সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রকল্পের সমাপনী      ● সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ       ● আইনশৃঙ্খলা সভায় হট্টগোল, তর্কে জড়ালেন এমপি হান্নান      ● লাতিন আমেরিকার দুই দলকে হারাল জাপান-কোরিয়া      ● কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ৫১ কিশোর আটক      ● প্রথম ১৪ ওয়ানডেতেই ইতিহাস গড়লেন ম্যাথু ব্রিটজকে      ● ২৫ সেপ্টেম্বরের মুর্তজা কিজিলবাশের কনসার্ট স্থগিত      ● অঙ্কন-নন্দিতার দ্বৈত কণ্ঠে আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘মথুরা’      ● ফোটন সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন      
মুখে যদি ঘা হয়
স্বদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১৪ জুন, ২০২৫, ২:৩৭ পিএম

মুখগহ্বরের অভ্যন্তরের ত্বকে একটি ধরনের ঘা হতে পারে, যাকে অ্যাপথাস আলসার বলা হয়। এই ঘা সাধারণত মুখের গাল, ঠোঁট, মাড়ি ও জিভের ভেতরে হয় এবং অনেক সময় প্রচণ্ড ব্যথা দেয়। এমনকি যন্ত্রণার কারণে অনেকেই ঠিকমত খেতেও পারেন না।

লক্ষণ:

অ্যাপথাস আলসারের আকার, রং ও ব্যথার মাত্রা বিভিন্ন হতে পারে। ছোট আকারের আলসারকে মাইনর আলসার বলা হয়, যা হালকা হলুদ রঙের হয় এবং চারপাশ লাল ও ফোলা থাকে। এতে ব্যথা কম হয় এবং দ্রুত সেরে যায়। আলসার সাধারণত গোলাকৃতির হয় এবং খাওয়ার সময় জ্বালাপোড়ার অনুভূতি হয়। তবে এটি সংক্রমণযোগ্য বা ছোঁয়াচে নয়।

কারণসমূহ:

দাঁতের সঠিক পরিচর্যা না করা এবং নিয়মিত স্কেলিং না করায় মুখে পাথর জমে ঘা হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

দাঁতের ফাঁকে খাবার আটকে থাকা এবং অনিয়মিত ব্রাশ করাও কারণ হতে পারে।

কম ঘুম বা অতিরিক্ত মানসিক চাপ থাকলেও এ সমস্যা হতে পারে।

নারীদের হরমোন পরিবর্তনের ফলে মুখে ঘা দেখা দিতে পারে।

মুখের আঘাত, যেমন কামড়ে যাওয়া বা দাঁত ভেঙে ধারালো হওয়া ত্বকে ক্ষত তৈরি করে ঘা হতে পারে।

শরীরে ভিটামিন বি১২, ফলিক এসিড ও আয়রনের অভাব।

সিগারেট, পান-জর্দা ও সাদা পাতা খাওয়ার কারণে মুখে ঘা হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

করণীয়:

পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিতে হবে।

ঝাল, অতিরিক্ত লবণ ও কঠিন খাবার এড়াতে হবে।

গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে মুখ কুলি করলে উপকার পাওয়া যায়।

ভিটামিন বি১২ ও আয়রনের ট্যাবলেট খেতে পারেন।

সিগারেট ও জর্দা পুরোপুরি বাদ দিতে হবে।

দন্ত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে।

প্রতিরোধ:

ছয় মাস অন্তর স্কেলিং করানো উচিত।

দিনে দুই বার ব্রাশ ও রাতে ফ্লসিং করতে হবে।

দাঁতের কোণা ভেঙে ধারালো হলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।

খুব গরম খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

মুখের ঘা বিভিন্ন ধরনের হয়, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া উচিত নয়।

লেখক: মাড়ির রোগ বিশেষজ্ঞ, অধ্যক্ষ, খুলনা ডেন্টাল কলেজ।

স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম

আরও সংবাদ   বিষয়:  স্বাস্থ্য  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close