প্রকাশ: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:০১ পিএম

বরগুনার তালতলী উপজেলার প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন, খামারিদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন এবং গবাদিপশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন উপ সহকারী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সঞ্জয় শিকদার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা ও পেশাগত নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে তিনি প্রান্তিক খামারিদের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। অনেক খামারির কাছে তিনি শুধু একজন কর্মকর্তা নন, বরং ‘গরিবের ডাক্তার’।
স্থানীয় খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গবাদিপশুর অসুস্থতা, টিকাদান, রোগ প্রতিরোধ এবং সঠিক পরিচর্যার বিষয়ে সঞ্জয় শিকদার নিয়মিত পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে প্রান্তিক ও স্বল্প আয়ের খামারিদের পাশে দাঁড়িয়ে প্রাণিসম্পদের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা প্রশংসনীয়।
তিনি নিয়মিত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে গবাদিপশুকে ভ্যাকসিন প্রদান, খামারিদের সচেতন করা এবং পশুপালনের সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। পাশাপাশি উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সার্বিক কার্যক্রম তদারকি ও দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতার পরিচয় দিয়ে আসছেন।
তালতলীর অনেক খামারির কাছে গরু-ছাগল শুধু সম্পদ নয়, বরং পরিবারের জীবিকা ও ভবিষ্যতের স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন যেন রোগবালাই কিংবা অবহেলায় ভেঙে না পড়ে, সে লক্ষ্যেই মাঠপর্যায়ে প্রাণিসম্পদ সেবার গুরুত্ব অপরিসীম। আর এই সেবার ধারাবাহিকতায় সঞ্জয় শিকদারের মতো মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের অবদান খামারিদের কাছে বিশেষভাবে স্মরণীয়।
প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে শুধু দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন মাঠপর্যায়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, খামারিদের সমস্যা বোঝা এবং সময়মতো সেবা পৌঁছে দেওয়া। সঞ্জয় শিকদারের কর্মতৎপরতা সেই প্রত্যাশারই একটি ইতিবাচক উদাহরণ।
খামারিদের প্রত্যাশা তালতলীর প্রাণিসম্পদ খাত আরও সমৃদ্ধ হোক, প্রান্তিক খামারিরা নিয়মিত চিকিৎসা, টিকাদান ও পরামর্শসেবা পান এবং সঞ্জয় শিকদারের মতো আন্তরিক কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সরকারি প্রাণিসম্পদ সেবার পরিধি আরও বিস্তৃত হোক।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি