প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫৮ পিএম

কুমিল্লার মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি বাল্যবিবাহ ও কিশোর অপরাধ প্রতিরোধেও কাজ করছেন তিনি।
২০২৫ সালের ৮ ডিসেম্বর মেঘনা থানায় যোগদানের পর থেকে তাঁর দায়িত্বকালে বিভিন্ন মামলায় মাদকসহ নানা অপরাধে জড়িত ২৯৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এসব কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা জেলার ‘খ’ ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নির্বাচিত হয়েছেন মো. শহীদুল ইসলাম। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন ও সার্বিক নিরাপত্তায় প্রশংসনীয় ভূমিকার জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ৭ অক্টোবর কুমিল্লার পুলিশ সুপারের কাছ থেকে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন তিনি।
একজন ওসির দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে শুধু আসামি গ্রেপ্তার বা অভিযান পরিচালনার বিষয়ই নয়, থানায় আসা মানুষের অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে শোনা, প্রয়োজনের সময় দ্রুত সাড়া দেওয়া এবং সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। মেঘনা থানায় দায়িত্ব পালনকালে এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার কথা জানিয়েছেন ওসি শহীদুল ইসলাম।
সম্প্রতি এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এলাকায় স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখাই পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। মেঘনায় যোগদানের পর থেকেই সেই দায়িত্বকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে যে সম্মাননা পেয়েছি, সেটিকে আমি ব্যক্তিগত অর্জন হিসেবে দেখছি না। এটি মেঘনা থানার সব সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টার স্বীকৃতি। এ সম্মাননা আমাদের আরও উৎসাহিত করেছে এবং ভবিষ্যতে দায়িত্ব পালনে আরও সতর্ক ও আন্তরিক হওয়ার অনুপ্রেরণা দিয়েছে।’
মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বাল্যবিবাহ, কিশোর অপরাধসহ সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধেও কাজ চলবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষ অপরাধের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। মেঘনার মানুষ যেন নিরাপদে থাকতে পারেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে পুলিশের সহযোগিতা নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি