
বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর ২০২৬ সালের তালিকায় স্থান পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষক ও গবেষক। এ তালিকায় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা ‘এলসেভিয়ার’ যৌথভাবে গতকাল বুধবার এ তালিকা প্রকাশ করে। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, গবেষণার ধারাবাহিকতা এবং সহ-লেখকদের গবেষণাগত প্রভাবসহ বিভিন্ন সূচক বিবেচনা করা হয়েছে।
তালিকায় স্থান পাওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ শিক্ষক ও গবেষক হলেন—মো. রাকিবুল হক, আবদুস সালাম, মো. মাহবুবুর রহমান, তসলিম উর রশিদ, মুহাম্মদ ইব্রাহিম শাহ, এম রেজাউল ইসলাম, সুবর্ণ বড়ুয়া, নেপাল চন্দ্র রায়, মো. কাওসার আহমেদ, সৈকত মিত্র, এম এ বি এইচ সুসান, মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, শেখ মো. মাহমুদুল ইসলাম, মো. আবদুস সালাম, খন্দকার সামাহের সালেম, মোহাম্মদ ফেরদৌস, মোহাম্মদ আব্দুল মতিন, মো. আব্দুর রাজ্জাক, এ এস এম মাকসুদ কামাল, মো. আবদুর রশীদ এবং অর্ক জ্যোতি চক্রবর্তী।
এ অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষক ও গবেষকের স্থান পাওয়া অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়।
উপাচার্য বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু দেশের উচ্চশিক্ষার অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান নয়, গবেষণা ও জ্ঞান সৃষ্টির ক্ষেত্রেও দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষকেরা দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মানসম্মত গবেষণা পরিচালনা করছেন এবং তাদের গবেষণা আন্তর্জাতিক পরিসরে স্বীকৃতি পাচ্ছে। বিশ্বের শীর্ষ গবেষকদের তালিকায় তাদের অন্তর্ভুক্তি তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
গবেষণার পরিধি ও মান আরও বাড়াতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান তিনি। ভবিষ্যতে আরও বেশি সংখ্যক গবেষক যেন আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় অবদান রাখতে পারেন, সে লক্ষ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান উপাচার্য।
স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ