প্রকাশ: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৭ পিএম

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে জমি দখল ও পরবর্তীতে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে মোরশেদ আলম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে অভিযোগ করেছেন জাহিদুল ইসলাম রাব্বি ওরফে রাব্বি মুন্সি এবং তাঁর বাবা মো. রফিক উল্লাহ।
রাব্বি মুন্সির অভিযোগ, তাঁর বাবা কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে বৈধভাবে যে জমি ক্রয় করেন, তা মোরশেদ আলম প্রায় ১২ বছর ধরে অন্যায়ভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। পরে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সামাজিক সালিশ-বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উভয় পক্ষের দলিলপত্র ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই করা হয়। ওই সালিশে তাঁদের পক্ষে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন রাব্বি মুন্সি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে জমাখারিজ ও নামজারি করে দেওয়ার কথা বলে মোরশেদ আলমের সঙ্গে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার একটি বায়না চুক্তি করা হয়। জমাখারিজ সম্পন্ন হওয়ার পর বিভিন্ন অজুহাতে তাঁকে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে বিষয়টি ভিন্ন দিকে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে পুনরায় সালিশের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি তাঁর।
অন্যদিকে, মোরশেদ আলমের বাবা আব্দুর রহিম গত ২৮ জুলাই নামজারি খতিয়ান বাতিল এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগে জমির দলিল ও নামজারি প্রক্রিয়ায় অনিয়মের দাবি করা হয়েছে।
তবে জমির মালিকানা, দখল ও নামজারি সংক্রান্ত উভয় পক্ষের অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ সাদাত হোসেন বলেন, “তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়েছি। শুনানির জন্য ইতোমধ্যে তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। উভয় পক্ষের শুনানি সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই করে বিধি মোতাবেক বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে।”
স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ