রবিবার ● ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● নদীর পাড় থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ      ● ৭ জলাশয়ে ২২৩ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত      ● পর্যটনের সম্ভাবনা পাহাড়জুড়ে      ● শরীর নিয়ে কটাক্ষের জবাব ‘মোটি’ লেখা ব্লাউজে স্বরার      ● ঢাকা কলেজ-আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ      ● জিম্বাবুয়ে ফিরিয়ে না নেওয়ায় দেশেই দুই চিতাবাঘের স্থায়ী আবাস      ● গাজায় ধ্বংসস্তূপের পাহাড়, নিচে থাকতে পারে ১০ হাজার মরদেহ      ● আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত      ● প্রযুক্তি হস্তান্তরে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আগ্রহ সিঙ্গাপুরের      ● হরমুজে মার্কিন ড্রোন জব্দের দাবি, বাড়ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা      ● রাজস্ব আদায়ে এনবিআরের ‘থ্রি-আর’ কৌশল      ● সূচক কমলেও সিএসইতে বেড়েছে লেনদেন      
নদীর পাড় থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ
প্রতিনিধি, রাজবাড়ী
প্রকাশ: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৩ পিএম

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে চন্দনা নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে সরকারি গাছ কেটে অন্যত্র বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তেঁতুলিয়া দারুস সালাম ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে। নদী রক্ষা বাঁধ ও পরিবেশ সুরক্ষায় রোপণ করা গাছ বিক্রি করে দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে মাদ্রাসা সুপারের দাবি—গাছগুলো মাদ্রাসার জায়গায়, তাই তিনি তা কেটেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, উপজেলার তেঁতুলিয়া বাজারের পাশ দিয়ে প্রবাহিত চন্দনা নদীর তীর রক্ষাবাঁধ সংলগ্ন পাকা রাস্তার পাশের মূল্যবান মেহগনি গাছ সম্প্রতি কেটে ফেলা হয়। বিষয়টি স্থানীয়দের চোখে পড়লে তারা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। নদীর পাড়ের পরিবেশ সুরক্ষা ও ভাঙন রোধে বহু বছর আগে এই গাছ রোপণ করা হয়েছিল। সরকারি জায়গায় থাকা এসব গাছ কাটা পুরোপুরি বেআইনি হলেও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে গাছগুলো কেটে বিক্রি করা হয়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।

স্থানীয় বাসিন্দা শাজাহান মন্ডল বলেন, ‘নদীর পাড়ের গাছগুলো পরিবেশ রক্ষা করত, আমাদের ছায়া দিত। হুট করে দেখি দিনের আলোতেই মেহগনি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সুপার সাহেবকে জিজ্ঞেস করলে উনি বলেন, এটা মাদ্রাসার সম্পদ। কিন্তু নদীর পাড়ের গাছ মাদ্রাসার হয় কীভাবে?’

অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার মুরাদ হুজুর নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে বলেন, ‘গাছটি নদীর পাড়ে হলেও জমিটি মাদ্রাসার। মাদ্রাসার উন্নয়নের স্বার্থে কমিটির সিদ্ধান্ত অনুসারেই গাছটি কাটা হয়েছে।’

গাছটি বিক্রি করছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি ইয়ারুল ইসলামের কাছে গাছের গুঁড়িগুলো আছে।

এ বিষয়ে বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মুরাদ ইসলাম বলেন, ‘নদী রক্ষা বাঁধ বা সরকারি জায়গায় থাকা গাছ কাটার সুযোগ কারও নেই। আপনার মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারলাম। আমি মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

নদীর ভাঙন ও পরিবেশ রক্ষায় যেখানে গাছ লাগানোর জোর তাগিদ দেওয়া হচ্ছে, সেখানে নিয়ম তোয়াক্কা না করে এভাবে গাছ কেটে ফেলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।




স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close