
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেছেন, “ডাকসুর ব্যাপারে মানুষের গভীর আগ্রহ আমাকে বিস্মিত করে। এই ডাকসুর দিকে আসলেই সারা বাংলাদেশ তাকিয়ে ছিলো।”
বুধবার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)–এর উদ্যোগে ঢাবির ১৮টি হলের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে আয়োজিত বিশেষ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের সভাপতিত্বে ও জিএস এস এম ফরহাদের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাবির উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
উপাচার্য বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এদেশের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একটি বিশ্ববিদ্যালয় হলেও সমাজের একটি বড় অংশ। মানুষের মমতায় আমাদের বসবাস। পুরো দেশ আমাদের সাথে কোন না কোন ভাবে যুক্ত। এজন্য আমরা আমাদের প্রতিটি কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তাদের ওয়াকিবহাল করতে চাই।
তিনি বলেন, আমরা একটি কঠিন সময় পেরিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি। এজন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, ডাকসু ও হল সংসদ নেতৃবৃন্দ গত ২ মাসে অনেক অসাধারণ কিছু কাজ করেছেন। প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও যে অনেক অসাধারণ উন্নয়নমূলক কার্যক্রম করেছেন এজন্য তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই।
তিনি আরও বলেন, আমাদের বাজেটের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তারপরও আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করে যেতে হবে। আমরা সবাই মিলে একটি পরিবার। আমরা একসাথে কাজ করলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাবে, দেশ এগিয়ে যাবে।
উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তরুণরা আত্মাহুতি দিয়েছিল একটা পরিবর্তনের আশায়। ডাকসুর মাধ্যমে আমরা সে পরিবর্তন প্রত্যাশা করি। গত দুমাসে আমরা ডাকসুর কাজের যে অগ্রগতি দেখেছি সেটা যদি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকে তাহলে বড় ধরনের একটা পরিবর্তন সম্ভব।
উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, ডাকসু ও হল সংসদ নেতৃবৃন্দ গত ২ মাসে অনেক অসাধারণ কিছু কাজ করেছেন। প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও যে অনেক অসাধারণ উন্নয়নমূলক কার্যক্রম করেছেন এজন্য তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই।
তিনি আরও বলেন, আমাদের বাজেটের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তারপরও আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করে যেতে হবে। আমরা সবাই মিলে একটি পরিবার। আমরা একসাথে কাজ করলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাবে, দেশ এগিয়ে যাবে।
সভাপতির বক্তব্যে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, আজকে যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করছি সেখানে কোন গণরুম-গেস্টরুম নেই। কোন টেন্ডারবাজি, ফাও খাওয়ার প্রবণতা নাই। এজন্য আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ দিতে চাই।
তিনি উল্লেখ করেন, “আমরা কেউ নেতা না। আমরা শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত প্রতিনিধি। বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ফ্যাসিবাদী কাঠামো তৈরী হয়েছে আমরা সে কাঠামো ভেঙে দিতে চাই। প্রগতিশীল শিক্ষক নামের এক শ্রেণির কুলাঙ্গাররা হাসিনার পক্ষে বৈধতা উৎপাদন করছে। যারা খুনির পক্ষ নিচ্ছে, তাদের শিক্ষকতা করার কোন অধিকার নেই।”
তিনি আরও বলেন, “যে জুলাইয়ের মাধ্যমে আজাদী পেয়েছি, সেই জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব আমাদের
স্বদেশ প্রতিদিন/ এমএস