প্রকাশ: সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫, ৩:১৬ পিএম

সংগৃহীত ছবি
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর সামনে নিজের অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।
আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ তাকে দোষী সাব্যস্ত করে।
ট্রাইব্যুনাল জানায়, ফাঁসির যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও রাজসাক্ষী হয়ে ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ায় মামুনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এ মামলায় একই সঙ্গে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানও দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। ট্রাইব্যুনাল পর্যবেক্ষণ করেছে, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে পরিকল্পিত ও ব্যাপক মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
বেঞ্চের অন্যান্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে: উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান, প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের নির্মূলের নির্দেশ, রংপুরে ছাত্র আবু সাঈদকে হত্যা, চানখাঁরপুলে ছয়জনকে হত্যা এবং আশুলিয়ায় ছয়জনকে পুড়িয়ে হত্যা করা।
শেখ হাসিনার মামলার রায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে। পাশাপাশি ঢাকা শহরের কয়েকটি স্থানে বড় পর্দায় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ফেসবুক পেজে রায় সরাসরি দেখানো হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, চব্বিশ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে ট্রাইব্যুনাল।