প্রকাশ: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৫:২৭ পিএম আপডেট: ১৫.১১.২০২৫ ৫:৩২ PM

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ, প্রবীণ আলেমে-দ্বীন, গফরগাঁও উলামা সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও দুগাছিয়া জামিয়া হোসাইনিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হযরত মাওলানা মাহমুদুল হাসান সালমানী চিরবিদায় নিলেন।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকাল ৯টা ৩০মিনিটে তার বাবা, প্রখ্যাত আলেমে-দ্বীন হযরত মাওলানা বুরহান উদ্দিন (রহঃ) হাতে গড়া গফরগাঁও জামিয়া হোসাইনীয়া মাদ্রাসার সংলগ্ন ময়দানে জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার আগেই ময়দান এবং পাশের সড়ক মুসল্লিদের ঢলে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। জানাজার ইমামতি করেন তার বড় ছেলে মাওলানা নাঈমুল হাসান মাসরুর। জানাজার পর মরহুমকে মাদ্রাসা সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মাওলানা মাহমুদুল হাসান সালমানীর মৃত্যুর খবর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ঢাকা, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভক্তরা শেষবারের মতো তার মুখখানি দেখার জন্য মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ছুটে আসেন।
মরহুম শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) মাগরিবের নামাজের পর দীর্ঘদিন ঢাকায় পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর গফরগাঁও বাড়িতে ফেরার পথে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। তিনি স্ত্রী, পাঁচ ছেলে, তিন মেয়ে ও ছাত্র-শিক্ষক, মুরিদানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গফরগাঁও উপজেলা সভাপতি মাওলানা জয়নুল আবেদীনের পরিচালনায় জানাজাপূর্ব আলোচনা সভায় মরহুমের জীবনী ও অবদানের ওপর বক্তব্য রাখেন সিলেটের পীরে কামেল মাওলানা শফিকুর রহমান জালালাবাদী, ময়মনসিংহের বিশিষ্ট আলেমে-দ্বীন মুফতি মাহবুবুল্লাহ কাসেমী, গফরগাঁওয়ের বিশিষ্ট আলেমে-দ্বীন মুফতি আনোয়ার মাহমুদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এন. এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা ইসমাঈল হোসেন সোহেল, জেলা দক্ষিণ বিএনপির সদস্য আক্তারুজ্জামান বাচ্চু, গফরগাঁও উলামা সমিতির সভাপতি হাফেজ মো. নুরুল ইসলাম ও অন্যান্য বিশিষ্ট আলেমরা।
বক্তারা বলেন, “মাওলানা মাহমুদুল হাসান সালমানী ছিলেন গফরগাঁওয়ের উজ্জ্বল নক্ষত্র। তার জানাজায় হাজার হাজার মুসল্লির উপস্থিতি প্রমাণ করে তিনি প্রকৃত অর্থেই জনগণের আলেম ছিলেন।”
স্বদেশ প্রতিদিন/কেআইকে