ফরিদপুরে জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও ডামি নির্বাচনের সাবেক এমপি আবদুল কাদের আজাদ, যিনি এ কে আজাদ নামেও পরিচিত,কে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের পেছনে ছিল সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারের দাবিতে চলমান আন্দোলন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় মহিম স্কুল মোড়ে এ কে আজাদের গ্রেফতারের দাবিতে একটি বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে মহানগর বিএনপির ১২ ও ১৬ নং ওয়ার্ডের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, এ কে আজাদকে ফরিদপুরের মাটিতে আর ঢুকতে দেওয়া হবে না। তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এ কে আজাদ আওয়ামী লীগের হেলমেট ও হাতুরি বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করে শহরে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যা মেনে নেওয়া হবে না।
বক্তারা আরও বলেন, এ কে আজাদ শুধু আওয়ামী লীগের দোসর নন, বরং দেশের সাধারণ মানুষের জমি দখল ও দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তার কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে উপস্থিত লোকজন বারবার স্লোগান দেয়: “এ কে আজাদকে গ্রেফতার করো, খুনি হাসিনার দোসরদের ফরিদপুরে স্থান হবে না।”
সমাবেশ শেষে একটি বিশাল মশাল মিছিল মহিম স্কুল থেকে হাজরাতলা মোড় পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে। একই সন্ধ্যায় মহানগর যুবদলের উদ্যোগে আরেকটি বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়, যা কমলাপুর তেতুলতলা থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, মুজিব সড়ক, প্রেসক্লাব ও জনতা ব্যাংকের মোড় পর্যন্ত পৌঁছায়।
বক্তারা প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, এ কে আজাদ নিয়মিতভাবে ফরিদপুরে ঘুরে বেড়ালেও তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না। তিনি প্রকাশ্যে দাবি করেছেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও স্বরাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে বৈঠক করে সবকিছু ম্যানেজ করেছেন। বক্তারা অবিলম্বে তার গ্রেফতার এবং পুলিশ সুপারকে ফরিদপুর থেকে প্রত্যাহার করার দাবি জানান।