শুক্রবার ● ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● অ্যাপল আনছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর নতুন সিরি      ● বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম      ● ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে দুই বাসের সংঘর্ষ, নিহত ৩      ● মীরসরাইয়ে সার পাচারের চেষ্টা, চার ট্রাক ও ফিশিং বোট জব্দ      ● গানের মঞ্চ থেকে রুপালি পর্দার নায়ক জাফর ইকবাল      ● জরুরি ভিত্তিতে কৃষি শ্রমিকদের ভিসা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া      ● এসি বাসের ভাড়া বেড়েছে ২০০ টাকা      ● জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় বাংলাদেশসহ ৭৭ দেশের প্রতিনিধি অনুপস্থিত      ● গ্যাসের চাপ নিয়ে সুখবর দিলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী      ● ড. খলিলুর রহমানের সাফল্য কামনা করলেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী      ● ঘরে ঘরে জ্বর, ডেঙ্গু পরীক্ষায় বাড়ছে সচেতনতা      ● আজ বিশ্ব ফুসফুস দিবস      
কানাডার যে এলাকা ১৩৬ দিন থাকবে অন্ধকারে
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৫, ৩:০৪ AM

কানাডার দূরবর্তী আর্কটিক অঞ্চলের একটি ছোট্ট বসতি অ্যালার্ট—যা পৃথিবীর সর্বউত্তরের স্থায়ীভাবে বসবাসযোগ্য স্থান হিসেবে পরিচিত। উত্তর মেরু থেকে মাত্র ৮১৭ কিলোমিটার দূরে, নুনাভুটের এলসমিয়ার দ্বীপের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত এই জায়গায় কানাডার একটি সামরিক ঘাঁটি ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। চরম জলবায়ু ও কঠোর পরিবেশের কারণে এটি পৃথিবীর অন্যতম প্রতিকূল আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত।

এখানকার সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রাকৃতিক ঘটনা হলো ‘পোলার নাইট’—যে সময়টায় সূর্য দীর্ঘদিন দিগন্তের ওপরে ওঠে না। প্রতি বছর অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয়ে ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ পর্যন্ত চলে এই অবিরাম অন্ধকার। এবছর অ্যালার্টে শেষবার সূর্য দেখা গেছে ১৩ অক্টোবর, আর পুনরায় দেখা যাবে ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি। অর্থাৎ, পুরো ১৩৬ দিন এই এলাকা সূর্যের আলোবিহীন অন্ধকারে ঢাকা থাকবে।

এই সময়ে অ্যালার্টের অধিবাসীরা পুরোপুরি কৃত্রিম আলোয় নির্ভর করে জীবনযাপন করেন। সূর্যের আলো না পাওয়ায় তাদের সার্কেডিয়ান রিদম বা দৈহিক সময়চক্রে প্রভাব পড়ে, যা শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। তাপমাত্রাও নেমে যায় চরম পর্যায়ে—প্রায়ই মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে।

পোলার নাইটের অভিজ্ঞতা শুধু কানাডাতেই নয়, পৃথিবীর আরও কয়েকটি স্থানে দেখা যায়। যেমন—নরওয়ের স্ভালবার্ড ও জান মায়েন দ্বীপপুঞ্জে ১১১ দিন সূর্য ওঠে না (২৬ অক্টোবর থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত)। নরওয়ের উত্তরাঞ্চলীয় শহর ত্রোমসোতে সূর্যহীন সময়কাল ৪৯ দিন (২৭ নভেম্বর থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি)। আলাস্কার উটকিয়াভিক (ব্যারো) অঞ্চলে প্রায় ৬৫ দিন, রাশিয়ার মুরমানস্কে প্রায় ৪০ দিন, আর গ্রিনল্যান্ডের ইলুলিসাটে অক্টোবরের শেষ থেকে শুরু হয় দীর্ঘ অন্ধকার।

অন্যদিকে পৃথিবীর বিপরীত প্রান্তে, অ্যান্টার্কটিকার দক্ষিণ মেরু স্টেশন প্রায় ছয় মাস সূর্যের আলো পায় না—মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই সময়েও সেখানে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক গবেষণা অব্যাহত থাকে।

এই প্রাকৃতিক ঘটনা ঘটে পৃথিবীর অক্ষের ঢালের কারণে। শীতকালে পৃথিবীর মেরু সূর্য থেকে দূরে হেলে যায়, ফলে ঐ অঞ্চলে সূর্যের আলো দিগন্তের ওপরে উঠতে পারে না। যত উত্তর বা দক্ষিণে যাওয়া হয়, অন্ধকারের সময়কাল তত দীর্ঘ হয়। বিপরীতে গ্রীষ্মকালে এই একই এলাকাগুলোতে দেখা যায় ‘মিডনাইট সান’, যখন সূর্য দিনের পুরো সময় আকাশে থাকে এবং রাতেও অন্ধকার নামে না।

সূত্র: এনডিটিভি

স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ 


আরও সংবাদ   বিষয়:  কানাডা  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close