প্রকাশ: বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:২২ পিএম

নওগাঁয় ইউএনওর বিরুদ্ধে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ কয়েকজনকে মারধরের অভিযোগে মানববন্ধন
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহরিয়ার রহমান ও ধামইরহাট পৌরসভার প্রকৌশলী আবদুর সালাম বিরুদ্ধে গর্ভবতী নারীকে মারধরের অভিযোগ ওঠেছে।
এ ঘটনায় আজ বুধবার (১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা চত্বরের সামনে তাদের শাস্তি ও প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। মানববন্ধন শেষে উপজেলা চত্বরে আন্দোলকারীরা সেখানে অবস্থান নিলে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
মানববন্ধনে বক্তারা জানান, পৌরসভার ময়লার একটি গাড়ি উপজেলার মঙ্গলকোঠা এলাকার আবাসিক এলাকায় ফেলার কারণে উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভার লোকজনের সঙ্গে স্থানীয় এলাকাবাসীদের বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। ঘটনা জানতে পেরে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরিয়ার রহমান ও পৌর প্রকৌশলী আবদুর সালাম ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গেলে স্থানীয়দের সঙ্গে আবারও ঝামেলা তৈরি হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এলাকাবাসীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন।
এ সময় ওই এলাকার আবদুল কুদ্দুসের গর্ভবতী স্ত্রী মোসা. মিতু আক্তার ও হবিবর রহমানের স্ত্রী মোসা. সামিরনকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগী সামিরন বলেন, উপজেলা প্রশাসনের লোকজন ময়লা ফেলতে আসলে আমরা এলাকাবাসী আমাদের বসবাসে সমস্যার কথা ইউএনওকে জানাই। তবুও উনি আমাদের কথা না রেখে আমাকেসহ মিতুকে নিজেই লাঠি হাতে মারধর করেন। আমরা এলাকাবাসী ইউএনওর অপসরণসহ তার কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও শাহরিয়ার রহমান বলেন, পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা একটি খাস জমিতে ময়লা ফেলতে গেলে স্থানীয় কয়েকজন বাধা দেন এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের গালমন্দ করে তাড়িয়ে দেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য তিনি ওই এলাকায় গেলে এলাকার কিছু লোক তাঁর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। সেখানে কয়েকজন অবৈধ দখলদার নারী-পুরুষ বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও আনসারদের গায়ে হাত তোলেন।
নারীদের মারধরের অভিযোগের বিষয়ে তিনি দাবি করেন, সেখানে কারও গায়ে হাত তোলা হয়নি। কিছু স্বার্থান্বেষী মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছে।