প্রকাশ: বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:২৪ পিএম

সংগৃহীত ছবি
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত সোমবার ২০ দফার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এই প্রস্তাবে সমর্থন জানান।
ট্রাম্পের ও নেতানিয়াহুর ওই বৈঠকের আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ৮টি আরব ও মুসলিম দেশের নেতার সঙ্গে বৈঠক করে ২১ দফা নিয়ে আলাপ করেছিলেন। তখন আরব নেতারা ধারণা করেন যে আলোচনার ভিত্তিতে গাজার যুদ্ধে বিরতিতে অগ্রগতি হবে।
তবে ওই খসড়াগুলোর ওপর নেতানিয়াহু শেষ মুহূর্তে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছেন। মিডল ইস্ট মনিটর অনুসারে এসব পরিবর্তনে সৌদি আরব, তুরস্ক, জর্ডান ও কাতারসহ বেশ কিছু আরব দেশ ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। আরব আলাপচারীরা জানিয়েছেন, ট্রাম্পের আগে প্রস্তাবিত খসড়াগুলো আরব-মুসলিম নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রণীত ছিল; কিন্তু পরবর্তীতে তা অনেকাংশে বদলে গেছে।
তারা বলছেন, প্রাথমিকভাবে বিষয়টি একটি মিলিত উদ্যোগ ছিল, কিন্তু এখন এটি ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কেন্দ্রিকীকরণ হচ্ছে। শান্তির মধ্যস্থতার বদলে এটি কেবল তাদের নিরাপত্তার একটি উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
নেতানিয়াহুর করা মূল পরিবর্তনটি হলো, ইসরায়েলি সেনাদের গাজা থেকে প্রত্যাহার সংক্রান্ত ধারা। তিনি সেনা প্রত্যাহারের সঙ্গে কিছু শর্ত জুড়ে দিয়েছেন এবং প্রত্যাহারের নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করেননি। চূড়ান্ত প্রস্তাবে সেনা প্রত্যাহারকে সম্পূর্ণভাবে হামাসের নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে; অর্থাৎ হামাস নিরস্ত্রীকরণ না করলে ইসরায়েল সেনাকে প্রত্যাহার করবে না।
যুক্তরাষ্ট্রের একটি সূত্র বলেছে, যদি হামাস সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে কোনো পরিবর্তন চায় তাহলে তা বিবেচনা করা হবে। তবু প্রস্তাবে বড় ধরনের পরিবর্তনের জন্য আলোচনার সুযোগ সীমিত থাকবে।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর