প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:৪৭ পিএম

সরকার কৃষকদের জন্য পর্যাপ্ত সার বরাদ্দ দিয়ে যাচ্ছে
বাংলাদেশের কৃষি নির্ভরশীল চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা। মূলত কৃষিকাজের জন্য উর্বর ও অনুকূল এ পরিবেশ রয়েছে। এই উপজেলার ৮০ ভাগ মানুষ কৃষিকাজের সাথে জড়িত ও কৃষি জমি উপজেলার মানুষের প্রধান জীবিকা। এইজন্য সরকারের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি অফিস ও সরকারের অন্যান্য বিভাগ কৃষকদের সহায়তা ও প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়ন ঘটাতে কাজ করছে।
গতকাল বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) আকস্মিক উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলার পরিদর্শন করেন, চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মাসুদুর রহমান সরকার, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মিঠু চন্দ্র অধিকারী, দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি অফিসার শারমিন আক্তার, দামুড়হুদার অতিরিক্ত কৃষি অফিসার অভিজিৎ কুমার বিশ্বাস, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মো. মামুন অর রশিদ, জান্নাতুল ফেরদৌস প্রমুখ।
এ সময় তারা ডিলারের গোডাউন পরিদর্শন ও খাতা-কলমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। পরে সার নিতে আসা অনেক কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা ও দামুড়হুদা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নিয়মিতভাবে উপজেলায় ডিলারদের মাধ্যমে কৃষকদের হাতে সার পৌঁছে দিচ্ছে। যাতে করে কৃষকরা কোন রকমের ভোগান্তির শিকার না হয়। তার জন্য উপজেলার কৃষি কর্মকর্তারাও নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে তদারকি করে যাচ্ছে। উপজেলার কৃষকদের মাঝে সার কোন সংকট না থাকায় উপজেলার চাষীরা খুশি।
দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের ডিলার মেসার্স শম্ভু গোপাল বসু প্রো. শম্ভু গোপাল বসুর গোডাউনগুলোতে প্রচুর পরিমাণে সার মজুত রয়েছে। খাতা-কলমে হিসাব-নিকাশ পর্যালোচনা করে কৃষি কর্মকর্তারা নিশ্চিত হন যে কৃষকরা সময়মতো ও ন্যায্যমূল্যে সার পাচ্ছেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলার কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাসুদুর রহমান বলেন, “সরকার কৃষকদের জন্য পর্যাপ্ত সার বরাদ্দ দিয়ে যাচ্ছে।”
উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন ইউনিয়নের কৃষক আতিয়ার রহমান বলেন, “সারের কোন ঘাটতি নেই। যখন যে সার দরকার আমরা ডিলারদের কাছে থেকে গেলেই তা পাই। ফলে সময়মতো ফসলে সার দিতে পারি। সরকার সময় মতো সার ভর্তুকি দিচ্ছে এবং আমরা সরকার নির্ধারিত দামে ডিলারদের কাছে সার পাচ্ছি।”
উপজেলা কৃষি অফিসার শারমিন আক্তার বলেন, “সরকার কৃষকদের হাতে সময়মতো সার পৌঁছে দিচ্ছে। উপজেলায় সারের কোনো ঘাটতি নেই।”