প্রকাশ: সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:২৭ পিএম

সংগৃহীত ছবি
বিশ্বসেরা দুই শতাংশ গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাত শিক্ষক ও এক শিক্ষার্থী।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) আমেরিকার বিখ্যাত স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির মেটা রিসার্চ ইনোভেশন সেন্টারের (মেট্রিকস) গবেষক জন পি এ ইয়োনিডিস গবেষণা প্রকাশনার ওপর ভিত্তি করে এ তালিকা এলসিভিয়ার জার্নালে প্রকাশ করা হয়েছে।
বার্ষিক গবেষণা মূল্যায়ন ক্যাটাগরিতে তালিকায় স্থান পাওয়া জাবির সাতজন শিক্ষক হলেন- পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মোস্তাফিজুর রহমান; এস. এম. দিদার উল ইসলাম; পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ.এ.মামুন; ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলোজির অধ্যাপক এম শামীম কায়সার, সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. সাঈদ আল-জামান; মো. নূরুল ইসলাম এবং রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মো. এনামুল হক।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আট গবেষকের তালিকায় একমাত্র শিক্ষার্থী পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইমফরমেটিক্স বিভাগের মোহাম্মদ এ মামুন।
এক অভিনন্দন বার্তায় উপাচার্য বলেন, ‘‘পৃথিবীর সেরা ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ জন শিক্ষক-গবেষক স্থান করে নেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সম্মান ও গৌরবের। শিক্ষা ও গবেষণায় এই ধারাবাহিক অর্জন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিতি ও সুনাম বৃদ্ধি করেছে। উপাচার্য আশা প্রকাশ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা দেশ-বিদেশে আরও সম্মানে ভূষিত হবেন।”
গবেষকদের প্রকাশনা, এইচ-ইনডেক্স, সাইটেশন ও অন্যান্য সূচকগুলো বিশ্লেষণ করে সেরাদের তালিকাটি প্রস্তুত করা হয়। প্রতিবেদনটি বিজ্ঞানীদের ২২টি বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্র এবং ১৭৪টি উপ-ক্ষেত্রে শ্রেণিবদ্ধ করে দুটি ধাপে সেরা গবেষক নির্ধারণ করা হয়েছে। এর একটি হলো পুরো পেশাগত জীবনের ওপর, আরেকটি শুধু এক বছরের গবেষণা কর্মের ওপর।
উল্লেখ্য, স্ট্যানফোর্ড- এলসেভিয়ার শীর্ষ দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকা হলো বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত এক মানদণ্ড, যেখানে গবেষকদের অসাধারণ উদ্ধৃতি প্রভাব (citation impact) এবং দীর্ঘমেয়াদি অ্যাকাডেমিক অবদানকে গুরুত্ব দিয়ে স্থান দেওয়া হয়। এলসেভিয়ার প্রতিবছর প্রায় দুই হাজারের বেশি জার্নাল প্রকাশ করে। প্রকাশিত জার্নালে নিবন্ধের সংখ্যা ২ লাখ ৫০ হাজারের বেশি। এর আর্কাইভে ৭০ লাখের বেশি প্রকাশনা রয়েছে।